৩ হাজার ৭৪৭ দশমিক ১৮ বর্গ কিলোমিটার নিয়ে গঠিত ভাটির জেলা সুনামগঞ্জ। প্রতি বছর এ জেলায় কাল বৈশাখি ঝড় থেকে শুরু করে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বজ্রপাত, হাওরে জলাবদ্ধতা ও উজানের ঢল মোকাবিলা করে কৃষক ঘরে তুলেছেন কষ্টের ধান। হাওরাঞ্চলের এসব মানুষ যখন স্বস্তির নিশ্বাস নেবে, ঠিক তখনই কৃষকের কপালে দুশ্চিন্তার ভাজ।
বিশেষ করে জেলার তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, ধর্মপাশা ও মধ্যনগরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার মানুষ সীমান্ত নিকটবর্তী এলাকায় বসবাস করেন। ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এসব উপজেলার বেশিরভাগ গ্রাম প্লাবিত হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়বেন ৪ থেকে ৫ উপজেলার ৫ লাখেরও বেশি মানুষ।
ঢলের পানিতে এরই মধ্যেই তলিয়েছে তাহিরপুরের আনোয়ারপুর সড়ক ও বিশ্বম্ভপুরের শক্তিয়ারখলা সড়ক। এতে জেলা শহরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার সরাসরি সড়কপথ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্যা আতঙ্কিত স্থানীয়রা জানান, পানি বাড়ার কারণে আতঙ্কিত হয়ে পরেছেন বলেন তারা।
এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এরই মধ্যেই সুরমা, বৌলাই, রক্তিসহ বিভিন্ন নদীর পানি বেড়েছে। আগামী দুইদিনে ভারী বৃষ্টিপাত হলে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে বলেও আশঙ্কা কর্তৃপক্ষের।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, ‘এটা বন্যা না এটা পাহাড়ি ঢল। আকস্মিক পানির কিছুক্ষণ পানি থাকে। পরে পানিটা নেমে যাওয়ার পর এটা শুকায় যায়। এটা বন্যা না।’
গেল কয়েকদিন ধরে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে।





