কিডনি চিকিৎসক কামরুলের হাসপাতালে ‘চাঁদাবাজি’, সমাধানের আশ্বাস যুবদলের শীর্ষ নেতাদের

সিসিটিভি ক্যামরার ফুটেজ, ডা.কামরুল ইসলাম
অপরাধ
দেশে এখন
0

ঢাকার শ্যামলীতে আলোচিত বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজার কিডনি প্রতিস্থাপনকারী ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠার পর গতকাল (শুক্রবার, ১১ এপ্রিল) রাতে সেখানে গিয়ে কথা বলেছেন যুবদলের শীর্ষ নেতারা।

যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার রাত দেড়টায় সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেন।

তার হাসপাতালে যুবদল পরিচয়ে স্থানীয় মঈন নামে এক ব্যক্তি পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেছে বলে সন্ধ্যায় একটি সংবাদ প্রচারিত হয়। এরপর রাতেই যুবদল নেতারা শ্যামলীর ওই হাসপাতালে আসেন। তারা অধ্যাপক কামরুল ইসলামের কাছে ঘটনা জানতে চান, তাকে আশ্বস্ত করেন।

ওই ব্যক্তি নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন কি না, জানতে চান সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুন্না।

আরও পড়ুন:

এসময় অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘সে বলছে সে যুবদলের নেতা, কাউন্সিলর ইলেকশন করতে চায়। আমি বিষয়টা নিয়ে জিডি করছি, এখানকার নেতাদের জানাই। কিন্তু তার এত বিরাট প্রভাব যে কেউ কিছু করেনি।’

পরে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি ও আসলে আমাদের সংগঠনের কেউ না। এরা আমাদের সংগঠনের নাম ভাঙ্গায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্স। এসব ঘটনা ঘটলে আমরা কিন্তু কাউকে ছাড় দেই না।’

তিনি বলেন, ‘আগের আমলে যেরকম এ ধরনের ঘটনাগুলোকে অস্বীকার করা হয়েছে, আমরা কিন্তু সেটাও করি না। আমরা আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে সাজা দিয়েছি, প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি, কাউকে কাউকে পুলিশে ধরিয়েও দিয়েছি।’

পরে নয়ন র‌্যাবের একজন কর্মকর্তাকে ফোন করে মঈন নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের অনুরোধ করেন।

এসএস