তুরাগে নদে একাধিক মরদেহ উদ্ধারের খবর গুজব: ডিএমপি

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ফারুক হোসেন
দেশে এখন
0

বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত তুরাগ নদে একাধিক মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা পায়নি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। একইসঙ্গে এ ঘটনাকে ভিত্তিহীন ও গুজব বলে দাবি করেছেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ফারুক হোসেন। আর যারা এ ধরনের গুজব প্রচার করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কাজ করছে পুলিশ। এছাড়াও এ ধরনের কোনো ঘটনা যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার না করার আহ্বান ডিএমপির।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত দলটির সমর্থকদের পেজ ও প্রোফাইল থেকে দাবি তোলা হয়- সাতকর্মীকে মিছিল থেকে আটকের পর হত্যা করে লাশ তুরাগ নদে ফেলে দেয়া হয়েছে। যদিও এটি পুরোপুরি বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করে বিবৃতি দেয় পুলিশ সদর দপ্তর।

এবারে এ ঘটনা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি পুরোপুরি গুজব বলে দাবি করেছে ডিএমপি। গতকাল (রোববার, ২৮ জুন) বিকেল মিন্টো রোডে সংবাদ সম্মেলন করে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ফারুক হোসেন বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন এ ধরনের কোনো ঘটনার সত্যতা পায়নি পুলিশ। এমনকি নদীতে লাশ পাওয়া নিয়েও তুরাগ থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ফারুক হোসেন বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে এটা ডিএমপির ঘটনা থেকে এরা মারা গিয়েছে। এটা একেবারেই বানোয়াট, গুজব। যারা এ ধরনের গুজব ছড়াবে, তাদের বিষয়ে আমাদের যারা সংশ্লিষ্ট ইউনিট আছে তারা অবশ্যই কাজ করছে এবং তারা কারা করছে তার একটা বের করে নিয়ে আসবে।’

পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, যাচাই বাছাই ছাড়া এই ধরনের সংবাদ প্রচার হলে জনমানুষের মনে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে। একইসঙ্গে যারা এ ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে তাদেরকে চিহ্নিত করতে ডিএমপির সাইবার টিম কাজ করছে।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ফারুক হোসেন বলেন, ‘কোনো গুজব, বিভ্রান্তিকর বা উস্কানিমূলক তথ্য সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হতে পারে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড হতে বিরত থাকার জন্য আহ্বান করা হলো।’

একইসঙ্গে জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে পারে বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে- এমন কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকারও আহ্বান জানান ডিএমপির এ কর্মকর্তা।

জেআর