ছেঁড়া তাঁবুতে শীতের ঝঞ্ঝা, বিপর্যস্ত সিরিয়ার শরণার্থীরা

সিরিয়ার শরণার্থী শিরিরের দুই শিশু
মধ্যপ্রাচ্য
বিদেশে এখন
0

আসাদ সরকারের পতনের এক বছরের বেশি সময় পরও সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে অস্থায়ী শিবিরে আটকে আছে হাজারো বাস্তুচ্যুত মানুষ। তীব্র শীত এবং তুষারপাতে বিপর্যস্ত তারা। ছেঁড়া তাঁবুর মধ্যেই কাটছে বাস্তুচ্যুতদের জীবন। নেই পর্যাপ্ত জ্বালানিও। শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে দিন পার করতে হচ্ছে তাদের।

যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার পুনর্গঠনে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার তথ্য মতে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল আসাদের শাসনের পতনের পর নিজ আবাসে ফিরে এসেছেন ৩০ লাখের বেশি শরণার্থী। তবে এখনো দেশটি কয়েকটি অঞ্চলে আটকে আছেন আরও কয়েক লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষ। এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী সহায়তা তহবিল কমে যাওয়ায় সংকট আরও গভীর হয়েছে আশ্রয় শিবিরগুলোতে।

আরও পড়ুন :

উত্তর সিরিয়ার আলেপ্পোর গ্রামাঞ্চলে অস্থায়ী শিবিরগুলো অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। তীব্র শীত ও তুষারপাতের মধ্যেই জীবন কাটাতে হচ্ছে বাস্তুচ্যুতদের। বেশিরভাগ তাঁবুই ছেঁড়াফাটা, নেই পর্যাপ্ত শীতের কাপড়ও। বরফ গলে পানিতে ভেসে যাচ্ছে তাঁবুগুলো।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে, শীতকালীন চাহিদার তুলনায় সহায়তার পরিমাণ খুবই অল্প। ২০২৫ সালে সিরিয়ার ৩১৯ কোটি ডলারের মানবিক সহায়তার মাত্র ২৯ শতাংশ অর্থায়ন করা হয়েছে।

এদিকে, সহায়তায় বড় ধরনের কাটছাঁট করছে বিশ্বব্যাপী দাতা সংস্থাগুলো। যা সংকটকে আরও গভীর করে তুলেছে। নতুন সরকারের সংস্কার ও নানা উদ্যোগের দিকে তাকিয়ে আছে সিরিয়াবাসী।


এএম