
কৃষিতে সংকটের ছায়া, বাজেটে বাড়বে কি কৃষকের প্রাপ্তি?
খাদ্য-পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কৃষির বিকল্প নেই। তবে নানামুখী সংকটে বাজেটে উপেক্ষিত এ খাত। জ্বালানির উচ্চমূল্য, সার-সেচের খরচ যেভাবে বাড়ছে, তাতে কৃষি উৎপাদন ও ন্যায্যদাম নিয়ে চিন্তার ভাঁজ কৃষকের কপালে। এমন বাস্তবতায় তাদের মনে একটাই প্রশ্ন- কৃষি ও কৃষক বাঁচাতে আসন্ন বাজেটে বরাদ্দ কিংবা ভর্তুকির পরিমাণ বাড়বে তো?

যশোরে মিষ্টি আঙুর চাষে সাফল্য; আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
যশোরে বাণিজ্যিকভাবে মিষ্টি জাতের আঙুর চাষ করে সফলতা পেয়েছেন চাষিরা। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আঙুরের ক্ষেত দেখতে ভিড় করছেন। আর ঝুলন্ত আঙুর দেখে অনেকে আঙুর চাষে উৎসাহীও হচ্ছেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

ভরা মৌসুমে ধানের দাম কমায় বিপাকে নওগাঁর কৃষকরা
ভরা মৌসুমে হাট-বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় মণপ্রতি অন্তত ১০০-১২০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে ধানের। এ নিয়ে হতাশ ও ক্ষুব্ধ কৃষকরা বলছেন, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণেই কমেছে দাম। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈরী আবহাওয়ায় ধানের মান খারাপ হওয়াই দাম কমার কারণ।

আমের জেলায় এবার লাল আঙুরে সাফল্য
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষিতে যুক্ত হলো লাল আঙুর। আমের জন্য পরিচিত এ জেলায় প্রথমবারের মতো রাশিয়ার বাইকুনুর জাতের আঙুর বাণিজ্যিকভাবে আবাদ করা হচ্ছে। বর্তমানে বাগানজুড়ে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল আঙুর। দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনই স্বাদেও মিষ্টি ও রসালো। সফল এ পরীক্ষামূলক চাষ স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও লোকসানের শঙ্কায় কুমিল্লার বোরো চাষিরা
কুমিল্লায় বোরোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করলেও ধানের দাম পাচ্ছে না কৃষকরা। সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের। শ্রমিকের বাড়তি মজুরি দিতে গিয়ে বিপাকে কৃষকরা। পাকা ধান গোলায় ভরতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ। কৃষিবিভাগ বলছে, ব্যয় কমাতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের দিকে ঝুঁকতে হবে।

ভার্মি কম্পোস্টে বাঁচছে খরচ, বাড়ছে লাভ
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ধনমন্ডল এলাকার তরুণ চাষি সমিজ উদ্দিন। বাণিজ্যিকভাবে শাক-সবজি চাষ করে আসছেন তিনি। জমিতে রাসায়নিক সার প্রয়োগ করে তেমন ভালো ফলাফল পাচ্ছিলেন না। পরে দেবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস থেকে দিনাজপুর অঞ্চল টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পান ভার্মি কম্পোস্ট প্রদর্শনী। তাতেই সফলতার দেখা পান তিনি। শাক সবজি উৎপাদনে খরচ কমার পাশাপাশি ভালো ফলন পাচ্ছেন নিয়মিত। তার দেখাদেখি এভাবেই টেকসই কৃষির দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা।

ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দিনাজপুরের লিচু; হতাশ বাগান মালিকরা
ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। দিনাজপুর সদর উপজেলার মাহব্বপুর গ্রামের একটি লিচু বাগানে দাঁড়িয়ে লিচু বাগান মালিক বাবলু মিয়া একের পর এক গাছের দিকে তাকাচ্ছিলেন। কয়েক সপ্তাহ আগেও যেসব ডালে লালচে-সবুজ গুচ্ছ দেখে তিনি লাভের স্বপ্ন দেখেছিলেন, এখন সেখানকার অনেক লিচুই ঝরে পড়ে আছে মাটিতে। কিছু লিচু গাছেই ফেটে গেছে, কিছু পচে কালচে হয়ে গেছে। এ অবস্থায় তার কণ্ঠে হতাশা সুর স্পষ্ট।

কৃষকদের জন্য শস্য বিমা চালু করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী অমিত
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার, কৃষকদের জন্য শস্য বিমা চালু করবে। যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে কৃষকরা। আজ (শুক্রবার, ৮ মে) যশোরে অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।

ভারত থেকে আসা উজানের ঢলে তলিয়ে গেছে সাড়ে চারশো বিঘা ধানখেত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় সাড়ে চারশো বিঘা আধাপাকা ধানখেত। গত তিন দিন থেকে আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) দুপুর পর্যন্ত উপজেলার সীমান্তঘেঁষা রাধানগর ইউনিয়নের বিল তিলনা, তিলকুচ, সুখডোবা ও গুমরোহিল এলাকার বিস্তীর্ণ জমিতে পানি ঢুকে অন্তত ৬০ হেক্টর ধান ডুবে গেছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়ে বাধ্য হয়ে আগেভাগেই আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উজানের ঢলে পানির নিচে ৩০৫ হেক্টর জমির ধান
অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার মেদির হাওরে গত কয়েকদিনে ৩০৫ হেক্টর বোরো ধানের জমি প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে ধান কাটতে না পারায় ক্ষতির মুখে অন্তত ২ হাজার কৃষক। আজ (সোমবার, ৪ মে) সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে জেলার বিভিন্ন স্থানে।