আরও পড়ুন:
যারা আবেদন করতে পারবেন এবং ফি সংক্রান্ত নির্দেশনা (Who Can Apply in HSC Admission 3rd Step)
একাদশে ভর্তির তৃতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরির শিক্ষার্থী (HSC admission eligible candidates 3rd phase):
- ১. নতুন আবেদনকারী: যারা প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করেননি বা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হননি।
- ২. নিশ্চায়ন ও ভর্তি মিস করা শিক্ষার্থী: যারা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও সময়মতো নিশ্চায়ন করতে পারেননি বা নির্ধারিত সময়ে ভর্তি হননি।
- ৩. কোটা ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ: ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে নির্বাচিত হয়েও ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীরা সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।
- ৪. ফ্রি আবেদন সুবিধা: দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে সুযোগ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের নতুন করে ২২০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে না (HSC admission application fee rules)। তারা ওয়েবসাইটে লগইন করে সহজেই পছন্দক্রম পরিবর্তন বা সম্পাদন করতে পারবেন।
আরও পড়ুন:
ভর্তির আবেদন, ফল ও নিশ্চায়নের সম্পূর্ণ সময়সূচি (HSC Admission 3rd Step Complete Schedule 2026)
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ভর্তির চূড়ান্ত ধাপের সময়সূচি নিচে উল্লেখ করা হলো (HSC college admission timeline and result date):
- আবেদনের সময়সীমা: ২৬ অক্টোবর (সোমবার) থেকে শুরু হয়ে ২৭ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।
- আগের নিশ্চায়ন বাতিল: আগে নিশ্চায়ন করা শিক্ষার্থী এই ধাপে আবেদন করতে চাইলে তাকে ২৭ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে বোর্ডে গিয়ে আগের নিশ্চায়ন বাতিল করতে হবে।
- তৃতীয় ধাপের ফল প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর রাত ৮টায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
- নির্বাচন নিশ্চায়ন: ৩০ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর রাত ৮টার মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে নিশ্চায়ন সম্পন্ন করতে হবে।
- মাইগ্রেশনের ফল: ১ নভেম্বর রাত ৮টায় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে।
- চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম: নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত কলেজে চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে ২ ও ৩ নভেম্বর।
আবেদন করার নিয়ম ও সতর্কবার্তা (How to Apply Online for Class 11 Admission)
শিক্ষার্থীদের অফিশিয়াল ভর্তি পোর্টালে (xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে নিয়ম মেনে পছন্দক্রম নির্বাচন করতে হবে (HSC admission college selection portal BD)। আবেদন করার সময় কলেজের আসনসংখ্যা বিবেচনা করে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোটায় আবেদনকারীদের অবশ্যই উপযুক্ত প্রমাণপত্র যাচাই করে সঠিক কোটা নির্বাচন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন নিশ্চায়ন না করলে আবেদন ও নির্বাচন উভয়ই বাতিল হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:




