বাড়ছে শীতের তীব্রতা, ঘরে থাকার উপায় নেই খেটে খাওয়া মানুষের

দেশে এখন
পরিবেশ ও জলবায়ু
1

তীব্র শীত আর হিমেল হাওয়ায় অকারণে ঘর ছাড়ছেন না কেউ। তবে জীবিকার তাগিদে ঘরে থাকার উপায় নেই খেটে খাওয়া মানুষের। আবার কনকনে ঠান্ডাতেও ছিন্নমূল মানুষরা ঘুমাচ্ছেন পথের ধারে, মিলছে না গরম কাপড়।

কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে কংক্রিটের দেয়াল। দিনের বেলা মাঝে মাঝে সূর্য উকি দেয়ার চেষ্টা করলেও কুয়াশার কাছে পরাজিত হয় বারবার। আর রাতে টের পাওয়া যায় শীতের তীব্রতা কতটা ভয়ঙ্কর।

শীতের রয়েছে নিজস্ব সৌন্দর্য। দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, খুব প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া আর নানা স্বাদের পিঠা-পুলির সমারোহ শীতকালকে করে তোলে মোহনীয়।

আরও পড়ুন:

তবে শীত সবার জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে না। ফুটপাত, রেলস্টেশন বা ফ্লাইওভারের নিচে রাত কাটে হাজারও মানুষের। শীতের কষ্ট কেমন তা যেন প্রকৃতপক্ষে টের পান রাস্তার পাশে শুয়ে থাকা এসব মানুষ। কম্বল না পেয়ে পাতলা বস্তা জড়িয়েই শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন কেউ কেউ।

ঘরে ফেরা পাখির মত শীতের সন্ধে নামতেই সবার ঘরে ফেরার দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু ওই মানুষগুলো কোথায় ফেরে যার কোন ঘর নেই? অনেকে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করেন। কিন্তু সেটা আর কতক্ষণ।

ছিন্নমূল মানুষদের মধ্যে একজন বলেন, ‘অন্যান্য বছরের থেকে এ বছর আমার জীবনে এরকম শীত দেখিনি।’

শীতের কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে দমকা হিমেল হাওয়া। এতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষরা। শীতের তীব্রতায় কমেছে যাত্রী, পাল্লা দিয়ে কমেছে আয়।

ঋতুচক্রে শীত আসে বারবার। তবে শীতের সাথে শ্রমজীবী আর ছিন্নমূল এসব মানুষের কষ্ট আর না বাড়ুক- এমন প্রত্যাশা সবার।

এসএস