বিটিআরসির সাম্প্রতিক কমিশন সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
দুই ধাপে চালু হবে এনইআইআর ব্যবস্থা (NEIR Implementation Process in 2 Steps)
মোবাইল নেটওয়ার্কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং অপরাধমূলক কাজ রোধে বিটিআরসির এই তৃতীয় প্রচেষ্টায় এনইআইআর প্রযুক্তিটি প্রধানত দুটি ধাপে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে:
- ১. প্রথম ধাপ (১ জানুয়ারি ২০২৭): এই ধাপে অবৈধভাবে তৈরি, চোরাই পথে আসা ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানি করা সব হ্যান্ডসেট শনাক্ত ও বন্ধ করা যাবে (Unregistered and Smuggled Phone Identification)। তবে বিটিআরসির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ক্লোন করা বা নকল আইএমইআই (Cloned IMEI Handset Issue) বিশিষ্ট ফোন পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
- ২. দ্বিতীয় ধাপ (মালিকানা হস্তান্তর বা ডি-রেজিস্ট্রেশন): এক ব্যবহারকারীর ফোন অন্যজনের কাছে বিক্রির সুবিধা অর্থাৎ মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন বা মালিকানা বদল (NEIR Handset De-registration System) যুক্ত হবে দ্বিতীয় ধাপে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাধ্যমে সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে দ্বিতীয় ধাপ চালুর তারিখ পরবর্তীকালে ঘোষণা করা হবে।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে ব্যবহৃত ফোন ও ব্যবসায়ীদের মজুত ফোনের কী হবে (Rules for Currently Used Phones and Stock Handsets)?
সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারী ও বৈধ ফোন ব্যবসায়ীদের চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিটিআরসির নির্দেশিকা অনুযায়ী:
- স্বয়ংক্রিয় নিবন্ধন (Automatic IMEI Registration): মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে বর্তমানে চালু থাকা সব সাধারণ মোবাইল হ্যান্ডসেট এনইআইআর সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে যাবে।
- আমদানিকারকদের জন্য সুযোগ: মোবাইল আমদানিকারক ও বিক্রয়কারীরা পূর্বে আমদানি করা কিন্তু অবিক্রিত থাকা এবং গুদামে মজুত থাকা ফোনের আইএমইআই নম্বর (Imported Stock IMEI Registration) ডেটাবেজে জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
২০২৭ সালের ১ জানুয়ারির পর বৈধ কাগজ ও শুল্ক পরিশোধ ব্যতীত বাংলাদেশে আনা বা কেনা সব ধরনের অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন বা ব্লক করা হবে (IMEI Number Verification and Network Blocked)।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:




