এই সীমা অতিক্রম করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। আর, জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখার অঙ্গীকার করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। বিক্ষোভ ঠেকাতে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
আরও পড়ুন:
রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরের হাসপাতালগুলোতে গুলিবিদ্ধ ও আহতদের ঢল সামলাতে পারছেন না চিকিৎসকরা। ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় বিক্ষোভে আহত-নিহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়েও সৃষ্টি হচ্ছে ধোঁয়াশা।
এদিকে, শনিবার ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের জনগণ স্বাধীনতা চায়। যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি।





