গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চীন। চলতি জুনের শুরুতে বেইজিং দ্বীপটির পূর্ব উপকূলে কোস্টগার্ডের জাহাজ পাঠিয়ে ‘বিশেষ সামুদ্রিক ট্রাফিক আইন-প্রয়োগকারী অভিযান’ শুরু করে। চীন দাবি করেছে, জাপান ও ফিলিপাইন তাদের সামুদ্রিক সীমানা নিয়ে যে আলোচনা শুরু করেছে, তার প্রতিক্রিয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে তাইপে এই পদক্ষেপকে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টির নতুন কৌশল হিসেবে দেখছে।
তাইপেতে অবস্থিত ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির অনানুষ্ঠানিক দূতাবাসগুলো যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, ‘তাইওয়ানের পূর্ব দিকের জলসীমায় চীনের নতুন ধরনের কর্মকাণ্ড আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি। এই পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। আমরা বলপ্রয়োগ বা হুমকির মাধ্যমে একতরফাভাবে যেকোনো স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের বিরোধী।’ বিবৃতিতে নাবিক এবং জাহাজগুলোর নৌ-চলাচলের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। ব্রিটেন, ফ্রান্স বা জার্মানির সঙ্গে তাইওয়ানের কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে পশ্চিমা দেশগুলো প্রায়ই তাইওয়ানের ওপর চীনের ক্রমবর্ধমান চাপের বিষয়ে মুখ খুলেছে। তাইওয়ান সরকার বেইজিংয়ের সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তাদের পূর্ব উপকূলের জলসীমা চীনের নয় এবং সেখানে বেইজিংয়ের কোনো এখতিয়ার নেই। চীন জানিয়েছে, তাদের কোস্টগার্ড টহল চলাকালে ১৯৮টি জাহাজ পরিদর্শন করেছে এবং পানির নিচে থাকা সাবমেরিন ক্যাবল এলাকাগুলোতেও নজরদারি চালিয়েছে।





