জাতীয় স্বার্থ, সড়ক নিরাপত্তা, পরিবেশ রক্ষা এবং চালকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ে এই নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হবে।
আরও পড়ুন:
নতুন নীতিমালার মূল বৈশিষ্ট্য ও কড়াকড়ি (Key Features of New Auto Rickshaw Policy)
ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ও কিউআর কোড (Digital Registration & QR Code): প্রতিটি অটোরিকশা ডিজিটাল নিবন্ধনের মাধ্যমে কিউআর কোড ও ট্র্যাকিং সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। ফলে একটি নম্বরের অধীনে একাধিক অটোরিকশা বেআইনিভাবে চালানোর কোনো সুযোগ থাকবে না।
- পরিবেশবান্ধব ব্যাটারির ব্যবহার (Eco-Friendly Battery Rules): জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির বদলে পরিবেশবান্ধব লিথিয়াম-আয়ন বা উন্নত ব্যাটারি ব্যবহারের শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।
- অবৈধ চার্জিং পয়েন্টে কঠোর অভিযান (Illegal Charging Point Drive): বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার রয়েছে, যা জাতীয় মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫ শতাংশ ব্যবহার করে। শুধু ঢাকাতেই অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে প্রায় ৪৮ হাজার, যার কারণে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। ডিএমপি, ডেসকো ও ডিপিডিসি যৌথভাবে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে অভিযান জোরদার করেছে।
- এআই ট্রাফিক ক্যামেরা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা (AI Traffic Camera Extension): ঢাকায় নিবন্ধিত নম্বরপ্লেট না থাকায় অটোরিকশার অনিয়ম শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছিল। বর্তমানে চালু থাকা ১৭টি সিগন্যালের ৫০টি এআই ক্যামেরার পাশাপাশি তেজগাঁও ও রমনা বিভাগে আরও ২০০টি নতুন এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে।
আরও পড়ুন:
দুর্ঘটনা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ (Accident Statistics & Power Challenges)
সংসদে উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, কম খরচে যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হওয়ায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক গ্রামীণ ও নগর পরিবহনের প্রধান বাহনে পরিণত হয়েছে। তবে এর অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারে দুর্ঘটনা ও বিদ্যুৎ খাতে সংকট দেখা দিয়েছে।
২০২৫ সালে দেশে ঘটে যাওয়া ৬,৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯,০১১ জন প্রাণ হারান, যার মধ্যে ১৩.৫৪ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ছিল অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। তাই প্রধান প্রধান মহাসড়ক ও মূল সড়কে অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ রেখে কেবল নির্ধারিত অভ্যন্তরীণ বা ফিডার রোডে চলাচলের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে।
আরও পড়ুন:





