আজ (বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট) বিকেলে ফেনীর একটি কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফেনী জেলা শাখা আয়োজিত ‘মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী নাগরিক সমাবেশ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘১৯৭২ সালে অন্য দেশের সংবিধান অনুকরণ করে আমাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটিয়ে সংবিধানের মৌলিক বিষয়গুলো ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
এসময় ‘জুলাই সনদ’ ও গণভোটের রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথে থাকার ঘোষণাও দেন তিনি। তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পাঁচ মাসের মধ্যেই দেশ নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে। ৭০ শতাংশ মানুষের গণরায়কে উপেক্ষা করে দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। সে কারণেই আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি।’
তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে পরাজিত ও দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রতিবেশী দেশ আশ্রয় এবং সুরক্ষা দেয়ার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সমর্থন জানানোর এমন আচরণের প্রতি তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের নায়েবে আমির শাইখুল হাদীস মাওলানা আফজালুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন ও মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজি, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান ও মাওলানা এনামুল হক মূসা, কেন্দ্রীয় সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ জাহিদুজ্জামান ও বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সদস্য মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম।





