আজকের নামাজের সময়সূচি (Azan Time Today) অনুযায়ী, আমাদের উচিত, ফজর (Fajr Prayer Time), জোহর (Dhuhr/Zuhr Prayer Time), আসর (Asr Prayer Time), মাগরিব (Maghrib Prayer Time) ও এশার (Isha Prayer Time) নামাজ সঠিক সময়ে আদায় করা। এতে করে আমাদের জীবন হবে সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণময়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক সময়ে নামাজ পড়ার তাওফীক দান করুন, আমিন।
আজ বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা, ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
আরও পড়ুন: অক্টোবর মাসের নামাজের সময়সূচি ২০২৬: ঢাকা ও অন্যান্য জেলার জামাতের সময়
রমজান শুরু হতে আর কত দিন: জানা গেলো ২০২৭ সালের সম্ভাব্য তারিখ
জানাজার নামাজের সঠিক নিয়ম ও দোয়া, নারী ও পুরুষ নিয়ে যা জানা প্রয়োজন
চলুন দেখে নিই ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি (Dhaka Prayer Time Today):—
- ফজর- ০৪:৩২ মিনিট।
- জোহর- ১১:৫২ মিনিট।
- আসর- ০৪:১৪ মিনিট।
- মাগরিব- ০৫:৫৮ মিনিট।
- এশা- ০৭:১১ মিনিট।
- তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময়- ০৪:৩১ মিনিট।
- আজকের ইফতারের সময়সূচি - ৫:৫৮ মিনিট।
- আজ সূর্যোদয় (Today Sunrise Time)- ৫:৪৬ মিনিট।
- আজ সূর্যাস্ত (Today Sunset Time)- ৫:৫৬ মিনিট।
- আগামীকাল (শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬) ফজর শুরু - ৪টা ৩৩ মিনিট।
আরও পড়ুন: রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম কী এবং কেন উদযাপিত হয়?
আয়াতুল কুরসির বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, ফজিলত ও আমলের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা
বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লেখিত সময়ের সঙ্গে নামাজের সময়সূচি যেসব বিভাগে যোগ-বিয়োগ (Prayer Time Adjustment) করতে হবে, তা হলো-
আরও পড়ুন: নিরাপদ ভ্রমণে রাসুল (সা.)-এর শেখানো বিশেষ দোয়া, যাত্রা পথে আল্লাহর সুরক্ষা পাওয়ার সহজ উপায়
ভূমিকম্প বা দুর্যোগে যে দোয়া ও আমল করবেন
নামাজে সাহু সিজদা করার কারণ কী, কখন দিতে হয়?
আমাদের উচিত, প্রতিদিনের নামাজের সময়সূচি (Today's Salat Time) মনে রাখা এবং তা যথাযথভাবে পালন করা। এতে আমাদের ইবাদতের মান বৃদ্ধি পায়, আল্লাহর রহমত ও বরকত আমাদের ওপর বর্ষিত হয়। নামাজের মাধ্যমে প্রত্যেক মুসলমান আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের সুযোয পায়। বিধাতার কাছে নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টা করে।
নামাজের গুরুত্ব অনেক বেশি, কারণ এটি ইবাদতের মূল ভিত্তি (Main Pillar of Ibadah)। সঠিক সময় অনুযায়ী নামাজে বসে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও তার নৈকট্য অর্জনের মাধ্যমে আমরা জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি লাভ করা যায়। কখন শুরু হয় এবং কখন নামাজ শেষ হয়, সেটি জানা অত্যন্ত জরুরি। এতে করে যথাযথ সময়ে নামাজ আদায় করা সম্ভব হয়। মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রতিদিনের ইবাদত ও আত্মার পবিত্রতা রক্ষার জন্য সঠিক সময় অনুযায়ী নামাজ আদায় অপরিহার্য।
কোরআনে বলা হয়েছে, “নামাজ কায়েম করো এবং সত্যের পথে অটুট থাকো” (সূরা আত-তাহরিম, ৬৮:১৩)। এটি মুসলমানের দৈনন্দিন জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি আনে। নিয়মিত নামাজের মাধ্যমে মন-দেহ পরিশুদ্ধ হয়, আত্মার উন্নতি ঘটে এবং মানসিক শান্তি লাভ হয়।
আরও পড়ুন: বাংলা অর্থসহ আজানের দোয়ার উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত
মৃত্যুর পর কুলখানি ও চল্লিশা: সামাজিক প্রথা বনাম ইসলামি বিধান
আল্লাহ-তায়ালা মানবজাতি সৃষ্টি করেছেন শুধু তার ইবাদাতের জন্য। তাই নামাজের মাধ্যমে যেমন আল্লাহকে খুশি করা যায়, ঠিক তেমনি নিজের মানসিক প্রশান্তি (Namaz for Mental Peace) লাভ করতে পারেন।
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘নামাজ’। (বুখারি ও মুসলিম)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ (How to pray salat)।’ (বুখারি, ৬৩১)
আরও পড়ুন: জুমার নামাজ কত রাকাত ও এর গুরুত্ব
কোরবানির ইতিহাস ও তাৎপর্য: ইসলাম প্রচারের পর যেভাবে প্রচলন শুরু হয়েছিল
আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, তিনি আল্লাহর রাসুলকে বলতে শুনেছেন, “তোমরা বলো, যদি তোমাদের সামনে একটি নদী থাকে এবং প্রতিদিন পাঁচবার সেখানে গোসল করো, তাহলে কি তোমাদের দেহে কোনো ময়লা থাকবে?” তারা উত্তর দেয়, “না, যেন তার দেহে কোনো ময়লা থাকবে না।” রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, “এটাই হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের (Five Times Prayer) উদাহরণ। এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বান্দার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।” (অধ্যায় ৯/৬, হাদিস নং ৫২৮, সহীহ বুখারি)
জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব (Importance of praying in Jamat) ও ফজিলত এত বেশি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক অন্ধ ব্যক্তিকে পর্যন্ত জামাত ছাড়া নামাজ পড়ার অনুমতি দেননি। তিনি যখন এই ব্যক্তির কাছে জানতে চান, “তুমি কি আযান শুনতে পাচ্ছো?” তখন তিনি বলেন, “হ্যাঁ।” রাসুলুল্লাহ বলেন, “অতএব, আমি তোমার জন্য জামাত থেকে ছাড় দেয়ার কোনো কারণ দেখি না।” (আবূ দাউদ, ইবনে মাজাহ)
আরও পড়ুন: পানিতে ডুবে বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু: ইসলাম যা বলে, হঠাৎ বিপদ থেকে বাঁচতে নবীজির শেখানো দোয়া
শোক প্রকাশে যে দোয়া পড়বেন: নবীজির (সা.) আদর্শ ও পঠিত দোয়া
মৃতের শেষ বিদায়, নারী ও পুরুষের কাফনের কাপড়ের মাপ, সঠিক নিয়ম
ওমরাহ শেষে চুল ছোট করা না কি ন্যাড়া—কী বলছে শরীয়ত? জানুন সঠিক নিয়ম





