পরিসংখ্যানে এবং শক্তিতেও এগিয়ে থেকে বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে ফরাসিরা। তবে টেবিলের এমন সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেও প্রতিপক্ষকে নিয়ে সতর্ক ফরাসি কোচ। ইতালির ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্যকে সমীহ করে বড় ম্যাচ ও বিশেষ মুহূর্তে তাদের ভয়ংকর রূপ নিয়ে সতর্ক জিদান।
তবে সংবাদ সম্মেলনে ঘুরেফিরে এলো ২০০৬ বার্লিন ফাইনালের সেই বিতর্কিত মুহূর্ত, যেখানে ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জিকে হেডবাট করে লাল কার্ড পেয়েছিলেন জিদান। দীর্ঘ ২০ বছর পর ইতালির মুখোমুখি হতে গিয়ে অতীত নিয়ে কোনো অনুশোচনা কাজ করছে কি না। এমন প্রশ্নের উত্তরে ফরাসি কোচ সরাসরি জানান, তার সমস্ত মনোযোগ এখন ইতালির বিপক্ষে আজকের ম্যাচ ঘিরে।
জিনেদিন জিদান বলেন, ‘না, কোনো অনুশোচনা নেই, কারণ এটা ক্যারিয়ারের অংশ। যা ঘটেছিল তা নিয়ে আমি গর্বিত নই, তবে পুরো বিষয়টাই একটা যাত্রার অংশ। এখন মূল বিষয় হলো কালকের ম্যাচে কী হতে যাচ্ছে এবং ফ্রান্স জাতীয় দলকে নিয়ে আমি কী ভাবছি। আর ইতালির কথা বললে, তারা এমন এক দল যারা বড় কোনো ম্যাচ বা মুহূর্তে অবিশ্বাস্য কিছু করে দেখাতে সক্ষম।’
আরও পড়ুন:
প্রতিপক্ষের কোচের এমন সমীহ অবশ্য মাথা পেতে নিচ্ছেন ইতালি কোচ রবার্তো মানচিনি। পরিসংখ্যান ও শক্তিমত্তায় ফরাসিরা অনেক দূর এগিয়ে আছে মেনে নিয়েই মানচিনি জানান, ফ্রান্সের মতো দলের বিপক্ষে এই ম্যাচটি তাদের তরুণ স্কোয়াডের মান যাচাইয়ের বড় সুযোগ।
রবার্তো মানচিনি বলেন, ‘আমাদের দলে বেশ কিছু তরুণ খেলোয়াড় রয়েছে এবং আমরা মাত্র যাত্রা শুরু করেছি, যেখানে ফরাসি দল অনেকদিক থেকেই আমাদের চেয়ে এগিয়ে। নিশ্চিতভাবেই এটি আমাদের জন্য অনেক বড় ও গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে, যা থেকে আমরা নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবো।’
পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে ফ্রান্স যেমন বজায় রাখতে চায় তাদের ধারাবাহিক জয়, তেমনি ইতালির লক্ষ্য প্যারিসের মাঠ থেকে পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়া; তাই মাঠের লড়াইয়ের সাথে দুই মাস্টারমাইন্ডের ট্যাকটিক্যাল লড়াইয়ে রোমাঞ্চকর এক ম্যাচের অপেক্ষায় ফুটবলবিশ্ব।
