
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: ২০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল, সংকটে এভিয়েশনে খাত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধপরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। যা করোনা পরবর্তী অ্যাভিয়েশন খাতে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। দেশে দেশে ফ্লাইট বাতিলে দেখা দিয়েছে বৈশ্বিক সংকট। বিশ্লেষকরা বলছেন, নিরাপত্তা বিবেচনায় ফ্লাইট স্থগিত রাখলেও এ ক্ষতি মেটাতে গিয়ে দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে কোনো কোনো এয়ারলাইন্স। দেশিয় সংস্থাগুলো বলছে, এ ক্ষতি মোকাবিলায় সরকারি ভর্তুকির প্রয়োজন হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে ২৪৫টি
মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানের আকাশসীমা। এ কারণে আজ (শুক্রবার, ৬ মার্চ) ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আরও ৩৩টি ফ্লাইট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ফ্লাইট বাতিল হয়েছে ২৪৫টি।

কবে থামবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ?
ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরান প্রতিক্রিয়া না জানালেই মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা কমবে বলে দাবি করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও লেবাননে চলমান ইসরাইলি আগ্রাসন দিচ্ছে ভিন্ন ইঙ্গিত। বিশ্লেষকরা বলছেন, গ্রেটার ইসরাইল প্রতিষ্ঠায় দখলদারিত্বের আগ্রাসন না থামালে কমবে না মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা। কারণ এই ম্যাপে ফিলিস্তিন, লেবানন ছাড়াও আছে জর্ডান, সিরিয়া, ইরাক, মিশর এবং সৌদি আরবের কিছু।

বিশ্বনেতাদের চাপেও দমানো যাচ্ছে না নেতানিয়াহুকে
গাজা ও লেবাননের পর এবার ইয়েমেনেও হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে চালানো হামলায় ইয়েমেনে মারা গেছেন ৪ জন। এদিকে, লেবানন জুড়েও হামলা অব্যাহত রেখেছে তারা। এতে নতুন করে মারা গেছেন অন্তত তিনজন। এছাড়াও রোববার একদিনেই দেশটিতে ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেছে ১০৫ জনের। এছাড়া, সীমান্তের কাছে সামরিক সরঞ্জামসহ সেনা সংখ্যা বাড়িয়ে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এড়াতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।

সেনা ও বাসিন্দাদের বাঁচাতে সংগ্রহ করা হচ্ছে রক্ত
সম্ভাব্য নতুন যুদ্ধের দামামায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইরানের হামলা আতঙ্কে সবদিক থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছে তেলআবিব। আহত সেনা ও বাসিন্দাদের বাঁচাতে যেনো রক্ত সংকট দেখা না দেয়া, তার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হচ্ছে রক্ত। এমনকি গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ জোরদার করা হয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।