
নদী ভাঙনে বিলীন দেওয়ানগঞ্জের দেড় শতাধিক বসতবাড়ি
যমুনা নদীর বাম তীরে ভাঙনের খবর নতুন কিছু নয়। বছরের পর বছর ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। বাস্তুচ্যুত হয়েছে অসংখ্য মানুষ। এবার অসময়ের তীব্র ভাঙনে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে দেড় শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। এছাড়াও এলজিইডি’র সদ্য সংস্কার করা প্রায় দুইশ মিটার পাকা সড়ক নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে হুমকির মুখে রয়েছে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বন্যা পরবর্তী সময়ে সুনামগঞ্জে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন
বন্যার পর এবার ভয়াবহ নদী ভাঙনে দিশেহারা সুনামগঞ্জবাসী। বছরের পর বছর মোটা অঙ্কের ব্যয় করেও বন্ধ করা যাচ্ছে না ভাঙন। এদিকে, তিন দফা বন্যায় প্রায় ২৫ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখনও কোনো সরকারি আর্থিক সহায়তা পাননি ক্ষতিগ্রস্তরা।

বর্ষায় আগ্রাসী কক্সবাজারের বাঁকখালী, ভাঙনের ঝুঁকিতে তীরবর্তী গ্রাম
প্রতি বছর বর্ষায় আগ্রাসী হয়ে উঠে কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী। ভাঙে নদীর তীর, আর ঘরহারা হয় মানুষ। রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়িতে গত কয়েক দশকে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে আড়াইশ'র বেশি ঘরবাড়িসহ ফসলি জমি। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে নদী তীরবর্তী ৫টি গ্রামের আরও ৩ শতাধিক পরিবার। এসব এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ বা সিসি ব্লক স্থাপনের দাবি স্থানীয়দের।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ভূমি হারিয়ে নিঃস্ব অন্তত দুই হাজার বাসিন্দা
নরসিংদীর রায়পুরার মেঘনা নদীতে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। মানা হচ্ছে না ইজারার শর্ত। এ কারণে চরাঞ্চলে দেখা দিয়েছে ভাঙন। গেল ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অন্তত দেড় হাজার বিঘা কৃষি জমি। কর্মহীন হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ আর ভূমি হারিয়ে নিঃস্ব অন্তত ২ হাজার বাসিন্দা।