বাণিজ্যচুক্তি
সুপ্রিম কোর্টের রায় উপেক্ষা করে নতুন শুল্কনীতি ট্রাম্পের

সুপ্রিম কোর্টের রায় উপেক্ষা করে নতুন শুল্কনীতি ট্রাম্পের

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বড় ধাক্কা খেলেও বিকল্প শুল্কনীতি দিয়ে বাণিজ্য যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আদালতের রায়ে, আগের শুল্ক বাতিলের পর নতুন করে সব দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও এ শুল্ক কার্যকরে আইনের আশ্রয় নিতে হবে ট্রাম্পকে, প্রয়োজন হবে কংগ্রেসের সমর্থনও। এর আগে, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্ট। প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প দাবি করেন, এ রায়ে কিছুই বদলাবে না, বহাল থাকবে অধিকাংশ বাণিজ্যচুক্তি।

ট্রাম্প-মোদি দ্বন্দ্বের অবসান; ভারতের পণ্যে শুল্ক কমে দাঁড়ালো ১৮ শতাংশে

ট্রাম্প-মোদি দ্বন্দ্বের অবসান; ভারতের পণ্যে শুল্ক কমে দাঁড়ালো ১৮ শতাংশে

অবশেষে ট্রাম্প-মোদি দ্বন্দ্বের অবসান হলো। শুল্ক নিয়ে ভারতের ওপর চড়াও ট্রাম্প ছয় মাসের মাথায় ৫০ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশে কমিয়ে চূড়ান্ত করলেন বাণিজ্যচুক্তি। আগস্টে আরোপ করা অতিরিক্ত শুল্কের পাশাপাশি রাশিয়া থেকে তেল না কিনতে রাজি হওয়ায় তুলে নেয়া হয়েছে পেনাল্টি হিসেবে আরোপ করা অতিরিক্ত আরও ২৫ শতাংশ শুল্কও। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক ও নন-ট্যারিফ বাধা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি ভারতের। এছাড়া, নতুন চুক্তি অনুযায়ী ওয়াশিংটন থেকে জ্বালানিসহ ৫শ হাজার কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করবে ভারত।

দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

গত বছরের বাণিজ্যচুক্তির শর্ত না মানায় দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। গতকাল (সোমবার, ২৬ জানুয়ারি) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে অভিযোগ করেন ট্রাম্প।

শান্তি আলোচনায় ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি নাকি রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তি?

শান্তি আলোচনায় ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি নাকি রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তি?

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ নয় বরং শুক্রবার (১৫ আগস্ট) শান্তি আলোচনার মাধ্যমে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের সূচনা করতে চান বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তারা জোর দিয়ে বলছেন, ট্রাম্পের উদ্দেশ্য ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত বন্ধ করা হলেও আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়েই মাথা ঘামাচ্ছেন পুতিন। বিশ্লেষকদের ধারণা, এ বৈঠকের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে বের হওয়ার যোগ খুঁজছে মস্কো। তবে জার্মান গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের দাবি, পুতিনের উদ্দেশ্য সম্পর্ক স্পষ্ট ধারণা আছে ট্রাম্পের।