অং-সান-সু-চি
মিয়ানমারে নির্বাচনের আগে সু চির মুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা!

মিয়ানমারে নির্বাচনের আগে সু চির মুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা!

মিয়ানমার নির্বাচনের আগে সাবেক নেত্রী সু চির মুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটছে না। আট হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দিলেও গণতন্ত্রপন্থি এ নেত্রীর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানাচ্ছে না জান্তা সরকার। তবে, আসছে নির্বাচনে সু চির আসন থেকে লড়বেন তারই একসময়ের সহযোদ্ধা কিয়াও কিয়াও হটওয়ে। সুচির অনুপস্থিতিতে কাওহমু অঞ্চলের মানুষের মধ্যে যে রাজনৈতিক অনীহা সৃষ্টি হয়েছে তা দূর করার প্রত্যয় জানিয়েছেন তিনি।

নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা বৈধ করার কৌশলে জান্তার সরকার!

নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা বৈধ করার কৌশলে জান্তার সরকার!

মিয়ানমারের জান্তা সরকার নিজেদের ক্ষমতাকে বৈধতা দিতে নির্বাচনকে নতুন কৌশল হিসেবে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর হতে যাওয়া সাধারণ নির্বাচনে রাখাইনসহ অনেক এলাকার জাল ভোট হবে বলেও শঙ্কা করা হচ্ছে। অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারায় ভরসা নেই বেশিরভাগ মানুষের।

ছেলের আশঙ্কা, অং সান সু চি হয়ত মারা গেছেন

ছেলের আশঙ্কা, অং সান সু চি হয়ত মারা গেছেন

মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চি মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করছেন তার ছেলে কিম অ্যারিস। কয়েক বছর ধরেই তার মায়ের কোনো খবর পাচ্ছেন না তিনি। রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যারিস জানান, অন্য পক্ষের মাধ্যমে মাঝেমধ্যে তার মায়ের স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিক্ষিপ্ত তথ্য পেয়েছেন। তার অভিযোগ, তার মাকে নির্বাচনের এজেন্ডা হিসেবে ব্যবহার করতে চায় জান্তা বাহিনী।

মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচন ২৮ ডিসেম্বর

মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচন ২৮ ডিসেম্বর

দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে আগামী ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন আয়োজন করার ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। ২০২১ সালে রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিলো সেনা সমর্থিত জান্তা সরকার।

জরুরি অবস্থা তুলে নির্বাচনের ঘোষণা দিলো মিয়ানমারের জান্তা সরকার

জরুরি অবস্থা তুলে নির্বাচনের ঘোষণা দিলো মিয়ানমারের জান্তা সরকার

দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করলো মিয়ানমারের জান্তা সরকার। এক বিবৃতিতে ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনী জানায়, আগামী ডিসেম্বরে দেশটিতে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন। এরইমধ্যে তারা প্রস্তুতিও শুরু করেছে। যদিও বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়েছে। নির্বাচনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দিয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।