
২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেনে সতর্ক করলো বাংলাদেশ ব্যাংক
অনলাইন কেনাকাটা ও ডিজিটাল লেনদেনে (Digital Transactions) সতর্ক বার্তা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশে বৈধ লাইসেন্স ব্যতিরেকে কার্যক্রম চালানো ২২টি অননুমোদিত পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর (Unlicensed Payment Aggregators) শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস সুপারভিশন বিভাগ। গ্রাহকদের কষ্টের উপার্জনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও আর্থিক ক্ষতি এড়াতে এসব অবৈধ প্ল্যাটফর্মে যেকোনো ধরণের লেনদেন বা কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে (22 Unlicensed Online Payment Platforms Caution Notice)।

বাংলা কিউআরে মাশুল কত? ব্যক্তিগত কোডে কী সুবিধা পাবেন
ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ, নিরাপদ ও দ্রুত করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১ নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে ব্যক্তিগত ‘বাংলা কিউআর’ (Personal Bangla QR) সেবা। এতদিন এই প্রযুক্তি কেবল দোকানে কেনাকাটা বা মার্চেন্ট পেমেন্টের (Merchant Payment) জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও, নতুন নিয়মে এখন থেকে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (P2P Transaction) সরাসরি টাকা পাঠানো যাবে। সব ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) যেমন বিকাশ, নগদ বা রকেটের বিপরীতে নিজ নিজ অ্যাপেই তৈরি হবে এই স্বতন্ত্র কিউআর কোড। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সব ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানকে তাদের অ্যাপে কিউআর তৈরি, স্ক্যান ও ছবি আপলোডের সুবিধা যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক (Personal Bangla QR Code Transaction)।

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করছে মেটা
ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (SMEs) দীর্ঘদিনের জটিলতা অবসানের ইঙ্গিত মিলেছে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে নিজেদের বিজ্ঞাপনী প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘বিকাশ’কে (bKash) পেমেন্ট অপশন হিসেবে যুক্ত করার পরীক্ষা চালাচ্ছে টেক জায়ান্ট মেটা (Meta)। সুবিধাটি বর্তমানে সীমিত পরিসরে পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকলেও খুব শীঘ্রই তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হতে পারে (Meta Adds bKash Payment for Facebook Ads in BD)।

অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে কার্যক্রম যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত, বলছেন যুক্তরাজ্যে বিএনপির নেতারা
অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে কার্যক্রমকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলছেন যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এ উদ্যোগে দলের সাংগঠনিক যোগাযোগ আরও দৃঢ়, সহজ ও আধুনিক হবে বলে আশা তাদের। সদস্যপদ নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহের এ উপায় আগামী দিনের পথচলায় অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে মনে করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা।