
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের সংঘাত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে। এ সংঘাতে ইসরাইলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, হামলায় খামেনি ছাড়া ইরানের আরও ৪৮ জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নিহত হয়েছেন। ইরান এর প্রতিশোধ হিসেবে কেবল ইসরাইল নয়, বরং দুবাই, দোহা, বাহরাইন এবং কুয়েতের মতো শহরগুলোয়ও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ইরানের ওপর চালানো হামলায় অন্তত ১৩৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ২০০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে ইসরাইলের বেইট শেমেশ এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনী এই যুদ্ধে তাদের ৩ জন সেনাসদস্যের নিহতের খবর নিশ্চিত করেছে।

ইসরাইলি হামলায় আবারো কাঁপলো তেহরান
ইরানের রাজধানী তেহরানে ধারাবাহিক শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে। আজ (রোববার, ১ মার্চ) ভোরে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা শহরের অভ্যন্তরে নতুন করে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে।

খামেনির ‘হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্টের কাছে পুতিনের শোকবার্তা
ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ‘হত্যাকাণ্ডকে’ কেন্দ্র করে রোববার গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। খবর মস্কো টাইমসের।

জীবনের শেষ ভাষণে খামেনি যা বলেছিলেন
নিহত হওয়ার আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শেষবারের মতো প্রকাশ্যে ভাষণ দিয়েছিলেন। জেনেভায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হওয়ার পর তিনি ভাষণটি দেন।

ইরানে অতর্কিত হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের; খামেনি কোথায়?
ইরানের তেহরানসহ কয়েকটি জায়গা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ (শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বড় প্রশ্ন— এই হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কোথায় আছেন?

ইরানে হামলার পরিকল্পনায় ট্রাম্পের সম্মতি, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়: সিবিএস
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছেন, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছে বিবিসির সহযোগী সংস্থা সিবিএস। সিবিএস জানিয়েছে, এক শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে ট্রাম্প হামলা শুরু থেকে বিরত ছিলেন, সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ রাখতে; বিশেষ করে যদি ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধে রাজি হয়।

'প্রতিবেশিদের যৌথ চক্রান্তের ফল আসাদ সরকারের পতন'
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং সিরিয়ার প্রতিবেশিদের যৌথ চক্রান্তের ফল, বাশার আল-আসাদের পতন বলে মন্তব্য করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তেহরানের কাছে এটির প্রমাণ আছে উল্লেখ করে, অঞ্চলটিতে কিছুতেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিত গাড়ার পরিকল্পনা সফল হতে দেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ার করেছেন তিনি। এখন ইসরাইলি আগ্রাসনে সিরিয়া আরও বেশি অস্থিতিশীল হওয়ার শঙ্কা ক্ষমতাচ্যুত আসাদের আরেক মিত্র রাশিয়ার।

ইসরাইলের হামলার জবাব দিতে ইরানের দিকনির্দেশনা
ইসরাইলকে হামলার জবাব দিতে কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনী। জনগণ ও দেশের স্বার্থ রক্ষা করে ইরান তার শক্তি প্রদর্শন করবে বলে জানান তিনি। ইসরাইল বলছে, ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতাকে আঘাত করা হয়েছে। এদিকে, তেহরানে মাটিতে ইসরাইলের হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ইরান।