
আইআরজিসি: ইরানের প্রধান আধা-সামরিক শক্তি—গঠন, ক্ষমতা ও আধিপত্য
ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC - Islamic Revolutionary Guard Corps) দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হয়। মূলত ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের (Islamic Revolution 1979) পর আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি (Ayatollah Ruhollah Khomeini) দিক নির্দেশনায় এটি গঠন করা হয়। প্রথম লক্ষ্য ছিল নতুন ইসলামি শাসন ব্যবস্থাকে অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত হুমকি থেকে রক্ষা করা এবং বিপ্লবের মূল আদর্শকে নিশ্চিত করা। আইআরজিসি তখন থেকেই ইরানের সাধারণ সেনাবাহিনীর (Iranian Army/Artesh) বাইরে থেকে পরিচালিত হয় এবং সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার (Supreme Leader) অধীনে থাকে।

খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত, উত্তরসূরি কে—ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার সম্ভাব্য পাঁচ নাম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader of Iran) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির (Ayatollah Ali Khamenei) মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার। আজ (রোববার, ১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও বার্তা সংস্থার ঘোষণায় জানানো হয়, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি নিহত (Killed in office) হয়েছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

ইসরাইলের হামলার জবাব দিতে ইরানের দিকনির্দেশনা
ইসরাইলকে হামলার জবাব দিতে কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনী। জনগণ ও দেশের স্বার্থ রক্ষা করে ইরান তার শক্তি প্রদর্শন করবে বলে জানান তিনি। ইসরাইল বলছে, ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতাকে আঘাত করা হয়েছে। এদিকে, তেহরানে মাটিতে ইসরাইলের হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ইরান।

ইসরাইলে চলতি সপ্তাহেই হামলা করবে ইরান, আশঙ্কা হোয়াইট হাউজের
ইসরাইলে চলতি সপ্তাহেই হামলা করবে ইরান, এমন আশঙ্কা করছে হোয়াইট হাউজ। যেকোন মুহূর্তে হামলার আশঙ্কায় তেহরানকে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানিয়েছে তেল আবিব। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আতঙ্কে জলসীমায় আরেকটি রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরমধ্যেই গাজার বিভিন্ন প্রান্তে নির্বিচারে হামলা অব্যাহত রেখেছে আইডিএফ। গেল দুইদিনে নতুন কর প্রাণ গেছে আরও ১৪২ ফিলিস্তিনির। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হলেও নেই বাস্তবায়নের কোন উদ্যোগ।

'শিগগিরই ইসরাইলে হামলা চালাবে ইরান'
সামরিক শক্তিমত্তার দিক দিয়ে ইসরাইল থেকে এগিয়ে থাকলেও তেল আবিবের হামলায় প্রতিনিয়ত প্রাণহানি ঘটছে ইরান সংশ্লিষ্ট শীর্ষ ব্যক্তিদের। ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার মাধ্যমে আবারো সামনে এলো প্রসঙ্গটি। নিজ দেশে হামাসের শীর্ষ নেতাকে বাঁচাতে না পারার ব্যর্থতা ঢাকতে শিগগিরই ইসরাইলে হামলা চালাবে ইরান, এমনটাই দাবি বিশ্লেষকদের।