
কোরবানির গোশত কি ৩ দিনের বেশি রাখা যাবে? জানুন ইসলামের সঠিক বিধান
কোরবানি (Qurbani) মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি অনন্য ইবাদত। ১০ থেকে ১২ জিলহজ্ব পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নেসাব পরিমাণ (Nisab amount) সম্পদের মালিকের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। তবে কোরবানি (Storing Qurbani Meat Rules) পরবর্তী সময়ে গোশত কতদিন রাখা যাবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে।

দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেয়া কি জায়েজ? জেনে নিন ইসলামের বিধান
ইসলামের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ ইবাদত হলো কোরবানি (Qurbani), যার মূলে রয়েছে আত্মত্যাগের ঐতিহাসিক মহিমা। আদি পিতা আদম (আ.)-এর দুই পুত্র হাবিল ও কাবিলের মাধ্যমে এই ইবাদত শুরু হলেও, হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-এর আত্মবিসর্জন কিয়ামত পর্যন্ত মুমিনদের জন্য এক অনন্য শিক্ষা (Teaching of Sacrifice)। বর্তমান সময়ে অনেক যৌথ পরিবারে দুই ভাই মিলে একটি ভাগে কোরবানি দিতে চান, তবে এ বিষয়ে শরিয়তের সুস্পষ্ট বিধান (Qurbani Rules for Two Brothers) রয়েছে।

কোরবানি না দিলে কি গোনাহ হয়? সামর্থ্যবানদের জন্য ইসলামের কঠোর নির্দেশনা
ইসলামি শরিয়তে কোরবানি (Qurbani/Udhiyah) একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও আত্মিক ইবাদত। প্রতি বছর জিলহজ্ব মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কোরবানি করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের ওপর আবশ্যক বা ওয়াজিব (Wajib)। কিন্তু অনেক সময় সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে অবহেলা করে কোরবানি দেন না। প্রশ্ন হলো, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি না দিলে কি গোনাহ হবে?

ঋণ থাকলে কোরবানি হবে কি? জানুন ইসলামের সঠিক দিকনির্দেশনা
পবিত্র জিলহজ্ব মাস সমাগত। মুসলিম উম্মাহর সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব (Qurbani is Wajib) বা আবশ্যক। তবে আমাদের সমাজে অনেক ব্যক্তি আছেন যাদের নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তারা ঋণগ্রস্ত। এ অবস্থায় কোরবানি দেওয়া কি বাধ্যতামূলক, নাকি ছাড় রয়েছে? ইসলামের বিধান অনুযায়ী ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির কোরবানির হুকুম নির্ভর করে তার বর্তমান আর্থিক অবস্থার ওপর।

কবে পবিত্র ঈদুল আজহা? কোরবানির সম্ভাব্য তারিখ জানালো যেসব দেশ
বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায় এখন জিলহজ মাসের পবিত্র চাঁদের অপেক্ষায় রয়েছেন। সৌদি আরব, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ এবং ইউরোপের দেশগুলোতে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশে ঈদ (Eid in Bangladesh) উদযাপিত হয়।

কোরবানির পশুর যত্ন কেন জরুরি? জানুন পশু কেনা থেকে জবাই পর্যন্ত পালনীয় নিয়ম
ইসলাম ধর্মে কোরবানি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পালন করা হয়। কোরবানির সময় ঘনিয়ে আসতেই পশুর হাটগুলো (Livestock Market) জমজমাট হয়ে উঠেছে। অনেকে ইতিমধ্যেই পশু কিনে ফেলেছেন বা কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে শুধু পশু (Qurbani Animal Care) কিনলেই হবে না, আল্লাহর নামে উৎসর্গ করার আগে এই পশুর সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা (Animal Welfare) নিশ্চিত করা প্রত্যেক মুসলিমের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।

কত টাকা বা সম্পদ থাকলে কোরবানি দেওয়া আবশ্যক? জানুন শরীয়তের বিধান
আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জনের অনন্য মাধ্যম কোরবানি কেবল একটি আর্থিক ইবাদত নয়, এটি একটি আত্মিক ইবাদতও বটে। জিলহজ্ব মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ যদি কোনো মুসলিমের কাছে তার পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর পর উদ্বৃত্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে তার ওপর কোরবানি করা আবশ্যক বা ওয়াজিব।

কোরবানির ইতিহাস ও তাৎপর্য: ইসলাম প্রচারের পর যেভাবে প্রচলন শুরু হয়েছিল
কোরবান আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ হলো নৈকট্য লাভ বা কাছে যাওয়া। ইসলামি শরীয়তের পরিভাষায়, নির্দিষ্ট সময়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু জবেহ করাই হলো কোরবানি (Sacrifice)। মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এই বিধান আজ থেকে শুরু হয়নি, বরং পৃথিবীর শুরু থেকেই এটি বিদ্যমান ছিল।

'ঈদুল আজহায় কোনো কোরবানি পশুর হাট সড়ক-মহাসড়কে বসবে না'
সড়ক ও রেল উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, চলতি বছরের ঈদুল আজহায় কোনো কোরবানি পশুর হাট সড়ক-মহাসড়কে বসবে না। বরং নিদিষ্ট দূরত্বে নির্ধারিত জায়গায় বসবে। তিনি বলেন, 'ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়েও কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার। কোরবানির পশু পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধেও কাজ করা হবে।'