চোখ-রাঙাচ্ছে-ডেঙ্গু
১০ বছরে হাজার কোটি ব্যয়; তবু ঢাকায় কমেনি ডেঙ্গুর ঝুঁকি

১০ বছরে হাজার কোটি ব্যয়; তবু ঢাকায় কমেনি ডেঙ্গুর ঝুঁকি

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের নামে গত ১০ বছরে প্রতিবছর ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন খরচ হয়েছে হাজার কোটি টাকার বেশি। এতে কোনো সুফল পায়নি নগরবাসী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মশা নিয়ন্ত্রণে বরাদ্দের প্রায় পুরোটাই ব্যয় হচ্ছে কীটনাশক কেনা ও প্রয়োগে, অথচ এসব ওষুধের কোনোটি দিয়েই মশা মারা যায় না। জেনেটিক্যাল পরিবর্তন, মশা বন্ধ্যাত্বকরণ, এবং উৎস ধ্বংস করার মতো আধুনিক পদ্ধতি ছাড়া মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

কাকতালীয় নাকি নতুন হটস্পট? ডেঙ্গুর নতুন ঠিকানা এখন মান্ডা-নন্দীপাড়া

কাকতালীয় নাকি নতুন হটস্পট? ডেঙ্গুর নতুন ঠিকানা এখন মান্ডা-নন্দীপাড়া

একটি হাসপাতালের একই ওয়ার্ডে পাশাপাশি শুয়ে আছেন একাধিক ডেঙ্গু রোগী। চিকিৎসা নিতে এসে দেখা গেল, তাদের সবার ঠিকানা রাজধানীর একই এলাকা মান্ডা-নন্দীপাড়া। কেউ প্রতিবেশী, কেউ বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়া, আবার কেউ একই মহল্লার বাসিন্দা। কেবল কাকতালীয়, নাকি একটি নির্দিষ্ট এলাকাই এখন ডেঙ্গুর নতুন হটস্পটে পরিণত হয়েছে?

চট্টগ্রামে মশক নিধন অভিযানের কার্যক্রম ভাটা,  চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

চট্টগ্রামে মশক নিধন অভিযানের কার্যক্রম ভাটা, চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

ভাটা পড়েছে চট্টগ্রামে মশক নিধন অভিযানের কার্যক্রম। মেয়র, আর মাঠ পর্যায়ে কাউন্সিলররা পালিয়ে থাকায় এই অবস্থা। এরইমধ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু, এক তৃতীয়াংশ রোগী সেপ্টেম্বরে আক্রান্ত হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, নগরে প্রকৃতির সাথে তাল রেখে পাল্টে যাচ্ছে এডিস মশার জীবনচক্র। তাই মশার ওষুধ ও সরঞ্জাম কিনতে কোটি টাকা ব্যয়ের সুফল পেতে হলে গুরুত্ব দিতে হবে গবেষণায়।