
প্রথম ভিকটিম ‘জেন ডো’ ও এপস্টেইনের যৌন সাম্রাজ্যের নেপথ্য কাহিনী
যৌন নির্যাতনের এক লোমহর্ষক চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রকাশিত ৩৫ লাখ পৃষ্ঠা, ২ হাজার ভিডিও এবং ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এখন বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।

কে এই জেফরি এপস্টেইন? সাধারণ নিম্নবিত্ত থেকে দুর্ধর্ষ অপরাধী হয়ে ওঠার গল্প
বিশ্বজুড়ে আলোচিত ও বিতর্কিত নাম জেফরি এপস্টেইন (Jeffrey Epstein)। ওয়াল স্ট্রিটের এক সময়ের প্রভাবশালী এই বিনিয়োগকারী নিজেকে ‘খুনি ও রুটি চোর’-এর মধ্যকার সাধারণ অপরাধী হিসেবে দাবি করলেও, আদতে তিনি ছিলেন ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত যৌন অপরাধী (Infamous sex offender)। ২০১৯ সালে কারাগারের ভেতরে তার রহস্যজনক মৃত্যু হলেও, ২০২৫-২৬ সালে ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’ (Epstein Files Transparency Act) অনুমোদনের পর আবারও আলোচনায় এসেছেন এই মার্কিন ফিনান্সিয়ার।

এপস্টেইন ফাইল কী; এই ভয়ংকর ফাইলের যেসব তথ্য জানলে শিউরে উঠবেন
বিশ্বজুড়ে এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম ‘এপস্টেইন ফাইল’। বিশ্ব রাজনীতির শীর্ষ নেতা, রাজপরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে বিনোদন জগতের মহাতারকা—কার নাম নেই এই তালিকায়! মার্কিন ফিনান্সিয়ার জেফ্রি এপস্টেইন (Jeffrey Epstein) এবং তার সহযোগী গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের দীর্ঘ তদন্তের পর আদালতের নির্দেশে প্রকাশিত হাজার হাজার পৃষ্ঠার এই নথি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই ফাইলগুলো কেবল কিছু নাম নয়, বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক শিশু পাচার ও যৌন শোষণ চক্রের (Child Trafficking and Sexual Exploitation Network) প্রমাণ।

এপস্টেইন কাণ্ডে নিজেকে বাঁচাতেই তদন্তের দাবি তুলেছেন ট্রাম্প: রয়টার্স
যৌন নিপীড়নকারী কুখ্যাত জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও অন্যান্য ডেমোক্র্যাট নেতাদের সম্পর্ক তদন্ত করতে ট্রাম্পের অনুরোধ মেনে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, এপস্টেইন কাণ্ডে নিজেকে বাঁচাতেই এই তদন্তের দাবি তুলেছেন ট্রাম্প। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই বলে আসছেন, ইমেইল ফাঁসের পুরো বিষয়টি ডেমোক্র্যাটদের ষড়যন্ত্র, আর এর পেছনে হাত আছে রাশিয়ার।

এপস্টেইন ইস্যুতে চাপে ট্রাম্প, আস্থা হারাচ্ছে মাগা ঘাঁটি
কুখ্যাত নারী নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন ইস্যুতে অস্বস্তিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিচার বিভাগকে এপস্টেইনের মামলা সম্পর্কিত নথি প্রকাশের নির্দেশ দিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যক্রমে আস্থা হারাচ্ছে মাগা সমর্থকগোষ্ঠী। বিশ্লেষকদের ধারণা, নথি প্রকাশ করা হলেও তাতে অনুপস্থিত থাকতে পারে ট্রাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য। পরিস্থিতি বেগতিক হলে পিঠ বাঁচাতে বলির পাঠা বানানো হতে পারে অ্যাটর্নি জেনারেল কিংবা এফবিআইয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের।