
সতর্ক না হলে বিপদ! ঢাকার যে ৫০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা
রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবার বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি ট্রাফিক মোড়ে বসানো হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংবলিত (এআই) স্বয়ংক্রিয় সংকেতবাতি ও হাই-টেক ক্যামেরা। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি সিগন্যাল পয়েন্ট আধুনিকায়নে গড় খরচ হবে প্রায় ২ কোটি টাকা। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই বিষয়ে দিকনির্দেশনা আসার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে উভয় সিটিকে ৫০ কোটি টাকা করে তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে (Automated Traffic Signal System Dhaka)।

ট্রাফিক ব্যবস্থায় এআই প্রযুক্তি: সড়কে শৃঙ্খলা ফিরলেও নানা প্রতিবন্ধকতায় শঙ্কা
প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বিদেশি প্রকল্প ব্যর্থ হওয়ার পর, দেশিয় প্রযুক্তিতে শৃঙ্খলায় ফিরছে নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থা। যানবাহন ও চালকদের নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক সিগন্যালে যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। তবে অল্পবৃষ্টিতেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই প্রযুক্তি। আছে আরও ২০টিরও বেশি প্রতিবন্ধকতা। তাহলে কীভাবে আলোর মুখ দেখবে এই পাইলট প্রকল্প? নাকি আগের প্রকল্পগুলোর মতোই হারিয়ে যাবে এটিও?

১৫ বছরে ১২০ কোটি টাকা ব্যয় করেও ইশারা থেকে বের হতে পারেনি ট্রাফিক বিভাগ
গত ১৫ বছরে ১২০ কোটি টাকা খরচ করেও পুলিশের হাতের ইশারা থেকে বের হতে পারেনি ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা। অভিযোগ রয়েছে, একের পর এক প্রকল্প হাতে নেয়া হলেও আসল উদ্দেশ্য ছিল টাকা হাতিয়ে নেয়ার। বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাস্তবতার সাথে মিল না রেখে যতই ডিজিটাল করা হোক না কেন, কোন প্রকল্পতেই মিলবে না সুফল। এদিকে, সিটি করপোরেশন বলছে, নতুনভাবে ঢেলে সাজানো হচ্ছে ট্রাফিক ব্যবস্থা।

রাজধানীর সড়কে ট্রাফিকের কাজে ফিরেছে পুলিশ
কর্মবিরতি শেষে রাজধানীর সড়কে ট্রাফিকের কাজে ফিরেছে পুলিশ। আজ (সোমবার, ১২ আগস্ট) সোমবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায় পুলিশকে। তবে, কিছু কিছু পয়েন্টে তাদের সাথে এখনও দায়িত্ব পালন করছে শিক্ষার্থীরা।