
মানবদেহের কোথায় নেই মাইক্রোপ্লাস্টিক
মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি কোণে পৌঁছে গেছে। সমুদ্রের গভীরতম অংশ থেকে অ্যান্টার্কটিকার বরফ, খাবার, পানীয় জল, বাতাস, এমনকি মানুষের রক্ত, প্লাসেন্টা ও মস্তিষ্কের টিস্যুতেও এ ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সমুদ্র সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ওশান ব্লু প্রজেক্ট, স্ট্যানফোর্ড মেডিসিন, বিবিসি এবং একাধিক আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, এ দূষণ এখন শুধু পরিবেশের নয়, মানবস্বাস্থ্যেরও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

প্লাস্টিক ব্যবহার-দূষণ রোধে আইন আছে, নেই কার্যকারিতা
‘প্লাস্টিক দূষণ আর নয়, বন্ধ করার এখনই সময়’ স্লোগানে যখন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে তখনও দেশে প্লাস্টিক দূষণ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকগুণ বেশি। গবেষণা বলছে, স্বাস্থ্যঝুঁকি ছাড়াও দেশে নদী, সাগর এবং ল্যান্ডফিল দূষণের প্রায় ৭৯ শতাংশ ঘটছে প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার ও দূষণ রোধে বিধিনিষেধ থাকলেও তা কার্যকর নয়। এদিকে পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের দাবি, সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক বন্ধে সরকার বদ্ধপরিকর।

প্লাস্টিক বর্জ্য নিরসনে প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক চুক্তি
প্লাস্টিকের উৎপাদন রোধ না করলে আগামী এক দশকে প্লাস্টিক বর্জ্যে ছেয়ে যাবে গোটা বিশ্ব। প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে জাতিসংঘের পঞ্চম ও চূড়ান্ত দফার আলোচনা আজ (২৫ নভেম্বর) সোমবার শুরু হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে। প্লাস্টিক বর্জ্য নিরসনে প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে বৈশ্বিক চুক্তি। যা আইনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছে জলবায়ু কর্মীরা।

বিশ্বের অর্ধেক প্লাস্টিক দূষণে দায়ী ৬০টি কোম্পানি
বিশ্বের অর্ধেক প্লাস্টিক দূষণের পেছনে দায়ী ৬০টি ফার্ম। গবেষণা প্রতিবেদন বলা হয়, যেভাবে প্লাস্টিকের উৎপাদন বাড়ছে, সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্লাস্টিক দূষণ। দ্য ফাইভ গিরিস ইনস্টিটিউট বলছে, প্লাস্টিক দূষণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে নেসলে, পেপসিকো, কোকাকোলার মতো কোম্পানি।