
‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার’
দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু, নৃ-গোষ্ঠী ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জানান, ধর্ম-বর্ণ-জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার এবং এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রাজশাহীতে ধর্মীয় স্থাপনায় কোনো হামলা ঘটেনি, অক্ষুণ্ণ সম্প্রীতি
রাজশাহী অঞ্চলজুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলো যথেষ্ট নিরাপত্তা বলয়ে। মন্দিরে বা ধর্মীয় স্থাপনায় কোনো হামলার ঘটনা না থাকায় নির্বিঘ্নেই চলছে পূজা-অর্চনার কাজ। তবে, ৫ আগস্ট এ সম্প্রদায়ের অনেকের ওপর হামলা, লুটপাট ও তাচ্ছিল্যের নানা ঘটনা ঘটে। এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা ধর্মীয় নয় বরং বেশিরভাগই রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ। তবে, হামলা ও লুটতরাজ প্রশাসনিক ও সামাজিকভাবে প্রতিহত করে হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল স্তরের মানুষ।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোদিকে ড. ইউনূসের আশ্বাস
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশের হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার গুজব ছড়ালেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন
সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার গুজব ছড়িয়ে পড়লেও বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। কোটা সংস্কার আন্দোলন রংপুর থেকে গতি পেলেও উত্তরের জনপদ রংপুরের কোনো মহল্লা কিংবা মন্দিরে ঘটেনি কোনো হামলার ঘটনা। তবে ৪ আগস্ট সহিংসতায় রংপুর সিটি করপোরেশনের হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক কাউন্সিলারের নিহতের ঘটনা ঘটলেও মৃত্যুর জন্য রাজনৈতিক বিরোধকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। আর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা বলছেন, হামলা নয় বরং হামলার গুজব ও অপতথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিশীল করার চেষ্টা চলছে।