স্বাস্থ্য-অধিদপ্তর
হাম ও হাম উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু

হাম ও হাম উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ (শনিবার, ৯ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজন শিশুর মৃত্যু

হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজন শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে একজন শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৬। আজ (বৃহস্পতিবার, ৭ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হাম ও উপসর্গ নিয়ে এক দিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

হাম ও উপসর্গ নিয়ে এক দিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গে সাত শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে দু’জন হামে আক্রান্ত হয়ে ও বাকি পাঁচজন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৪৫ জন। আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

হাম পরিস্থিতি: সহজে কমবে না প্রভাব, টিকা কার্যক্রমের সফলতা নিয়ে শঙ্কা

হাম পরিস্থিতি: সহজে কমবে না প্রভাব, টিকা কার্যক্রমের সফলতা নিয়ে শঙ্কা

জুলাইয়ের আগে হাম কমার কোনো আশা দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনার পর অন্তত এক মাস লাগতে পারে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হতে। আবার সরকার এক ডোজ টিকা দেয়ায় পুরো টিকা কার্যক্রমের সফলতা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে গতকাল (সোমবার, ৪ মে) পর্যন্ত গেলো এক সপ্তাহে মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের, আক্রান্তের সংখ্যাও ১০ হাজারের বেশি।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৫৬ জন। আজ (সোমবার, ৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৬১ জন। আজ (রোববার, ৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গেল দেড় মাসে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যু দাঁড়ালো ২৭৬ জন। আজ (বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

হামে আক্রান্তদের ৭৪ শতাংশই টিকার বাইরে ছিল: স্বাস্থ্যের ডিজি

হামে আক্রান্তদের ৭৪ শতাংশই টিকার বাইরে ছিল: স্বাস্থ্যের ডিজি

আক্রান্ত রোগীদের ৭৪ শতাংশ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা গ্রহণ করেনি, যার ফলে হাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আজ (বুধবার, ২৯ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে দেশের হাম পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ৩৫৮ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। আজ (সোমবার, ২৭ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

একদিনে হাম ও এর উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ছিল। আজ (রোববার, ২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রাজধানীতে ম্যালেরিয়া ছড়ানোর শঙ্কা; তিন মাসেই আক্রান্ত ৪৬০

রাজধানীতে ম্যালেরিয়া ছড়ানোর শঙ্কা; তিন মাসেই আক্রান্ত ৪৬০

২০৩০ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূলের লক্ষ্য থাকলেও নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে এর সংক্রমণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর প্রথম তিন মাসে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৪৬০ জন। গেলো বছর আক্রান্ত ছিলো ১০ হাজারের বেশি, মৃত্যু হয় ১৬ জনের। জীবাণুবাহী অ্যানোফিলিসকে পার্বত্য অঞ্চলের মশা মনে করা হলেও তা খোদ রাজধানীতে দেখা যাচ্ছে। রাজধানীতে এ রোগের বিস্তার শুরু হলে নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে।