
জিলহজ্ব মাসে চুল ও নখ কাটা নিয়ে যা জানা জরুরি: ইসলাম ও হাদিসের বিধান
ইসলাম ধর্মে জিলহজ্ব (Dhul Hijjah) মাস অত্যন্ত বরকতময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। মক্কায় গিয়ে হজ করার আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য রয়েছে এমন মুসলমানদের জন্য জীবনে একবার হজ করা ফরজ (Farz)। অন্যদিকে, সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলিমের ওপর প্রতি বছর ১০ জিলহজ্ব কোরবানি করা ওয়াজিব (Wajib)। তবে কোরবানি করার পাশাপাশি জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিন কোরবানিদাতার জন্য কিছু বিশেষ আমল রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো নখ ও চুল না কাটা (Rules of Cutting Hair and Nails in Dhul Hijjah)।

যাদের কোরবানি কবুল হয় না: কোরআন ও হাদিসের আলোকে যে ৩ শ্রেণির মানুষ
পবিত্র ঈদুল আজহায় (Eid-ul-Adha) নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ও স্বাভাবিক জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমানের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব (Wajib)। শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, কারও কাছে যদি সাড়ে ৭ ভরি সোনা বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা অথবা এর সমপরিমাণ নগদ টাকা বা ব্যবসায়িক সম্পদ থাকে, তবে তার ওপর কোরবানি (Whose Qurbani is Not Accepted) আবশ্যক।

রাব্বি জিদনি ইলমা-এর অর্থ ও ফজিলত
ইসলামের দৃষ্টিতে দোয়া হলো একটি মৌলিক ইবাদত। বিশেষ করে জ্ঞান ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির (Increase memory power) জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করার কোনো বিকল্প নেই। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত একটি দোয়া (Fajilat of Rabbi Zidni Ilma) এ বিষয়ে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে পরিচিত, যা খোদ রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেয়া কি জায়েজ? জেনে নিন ইসলামের বিধান
ইসলামের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ ইবাদত হলো কোরবানি (Qurbani), যার মূলে রয়েছে আত্মত্যাগের ঐতিহাসিক মহিমা। আদি পিতা আদম (আ.)-এর দুই পুত্র হাবিল ও কাবিলের মাধ্যমে এই ইবাদত শুরু হলেও, হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-এর আত্মবিসর্জন কিয়ামত পর্যন্ত মুমিনদের জন্য এক অনন্য শিক্ষা (Teaching of Sacrifice)। বর্তমান সময়ে অনেক যৌথ পরিবারে দুই ভাই মিলে একটি ভাগে কোরবানি দিতে চান, তবে এ বিষয়ে শরিয়তের সুস্পষ্ট বিধান (Qurbani Rules for Two Brothers) রয়েছে।

হজের সময় কি নারীদের পর্দা করতে হবে? জেনে নিন সঠিক নিয়ম
হজ ও ওমরাহ পালনের সময় নারীদের পর্দার বিধান নিয়ে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যে, এ সময় পর্দা করতে হয় না। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে হজের সময় পর্দার বিধান শিথিল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই; বরং ইহরামের অবস্থাতেও গায়রে মাহরাম (Non-Mahram) পুরুষদের সামনে পর্দা করা অপরিহার্য।

আপনি কোন প্রকারের হজ করবেন? জেনে নিন হজের প্রকারভেদ ও উত্তম পন্থা
হজ ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের (Five Pillars of Islam) একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য জীবনে একবার ফরজ। হজ আদায়ের পদ্ধতির ভিত্তিতে ইসলামি শরিয়তে (Islamic Sharia) হজকে প্রধানত তিন প্রকারে ভাগ করা হয়েছে: হজে তামাত্তু (Hajj al-Tamattu), হজে কিরান (Hajj al-Qiran) এবং হজে ইফরাদ (Hajj al-Ifrad)। প্রত্যেকটির নিজস্ব নিয়ম, বৈশিষ্ট্য এবং ফজিলত (Virtues and Rewards) রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে কোন হজ আদায় করেছেন এবং সাহাবিদের কী নির্দেশ দিয়েছেন। এসব বিষয় হাদিসের (Hadith) আলোকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দাওরায়ে হাদিসের ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা, দেখবেন যেভাবে
কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ শিক্ষাবোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের ১৪৪৭ হিজরির দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ২৪ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার (৪ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) দুপুর ২টার পর আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল (Result) ঘোষণা করা হবে।

মাহে রমজানের বিশেষ প্রতিদান, রোজাদারদের জন্য জান্নাতের যে দরজা উন্মুক্ত থাকবে
পবিত্র মাহে রমজান (Ramadan) হলো রহমত, বরকত ও নাজাতের মাস। এই মাসে আল্লাহ তাআলা মুমিন বান্দাদের ওপর রোজা ফরজ করেছেন আত্মশুদ্ধি এবং ঈমান মজবুত করার জন্য। সিয়াম সাধনার (Fasting) মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার এই মহতী সুযোগে রোজাদারদের জন্য আল্লাহ রেখেছেন এক বিশেষ পুরস্কার।

ইসলামে আত্মহত্যা মহাপাপ কেন? পরকালীন ভয়াবহ শাস্তি ও জানাজার বিধান
ইসলামি জীবনদর্শনে মানবজীবন আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া এক পবিত্র আমানত। নিজের জীবন নিজের ইচ্ছামতো শেষ করে দেওয়ার কোনো অধিকার ইসলাম কাউকে দেয়নি। এ কারণেই ইসলামে আত্মহত্যা মহাপাপ (Suicide is a major sin in Islam) হিসেবে গণ্য। পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ২৯ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, “তোমরা নিজেরা নিজদের হত্যা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের ব্যাপারে পরম দয়ালু।” আল্লাহর এই বাণী থেকে এটি পরিষ্কার যে, জীবন রক্ষার নির্দেশ স্বয়ং স্রষ্টার পক্ষ থেকে এসেছে।

শবে বরাত কি আসলেই ‘ভাগ্যরজনী’? জেনে নিন কোরআন-হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা
শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি আমাদের জনপদে ‘শবে বরাত’ (Shab-e-Barat) হিসেবে পরিচিত। ফার্সি শব্দ ‘শব’ মানে রাত আর ‘বরাত’ মানে ভাগ্য—এই শাব্দিক অর্থের কারণে অনেকেই একে ‘ভাগ্যরজনী’ (Night of Fortune) মনে করেন। তবে ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় এই রাতটির নাম হলো ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ (لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ) বা মধ্য শাবানের রাত।

মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত
আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। হিজরি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাত শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে মুসলমানগণ পালন করে থাকেন। এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবেও পরিচিত।

তওবা করলেই কি হারাম সম্পদ হালাল হয়?
মানুষ নানা কারণে জীবনে ভুল করে—কখনও টাকার লোভে, কখনও আবার পরিস্থিতির চাপে এমন উপার্জনে জড়িয়ে পড়ে যা আল্লাহর কাছে হারাম (Haram) ও অপবিত্র। যখন হৃদয় নরম হয় এবং মুমিন হিসেবে ইমান (Iman) জাগ্রত হয়, তখন মনে প্রথম প্রশ্ন আসে: ‘এই হারাম সম্পদ থেকে মুক্তির শরয়ী পদ্ধতি (Shariah Method) কী? শুধু মুখে তওবা (Tawbah) করলেই কি সব দায়মুক্তি হবে?’