হাদিস
শবে বরাত কি আসলেই ‘ভাগ্যরজনী’? জেনে নিন কোরআন-হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা

শবে বরাত কি আসলেই ‘ভাগ্যরজনী’? জেনে নিন কোরআন-হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা

শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি আমাদের জনপদে ‘শবে বরাত’ (Shab-e-Barat) হিসেবে পরিচিত। ফার্সি শব্দ ‘শব’ মানে রাত আর ‘বরাত’ মানে ভাগ্য—এই শাব্দিক অর্থের কারণে অনেকেই একে ‘ভাগ্যরজনী’ (Night of Fortune) মনে করেন। তবে ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় এই রাতটির নাম হলো ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ (لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ) বা মধ্য শাবানের রাত।

মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত

মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত

আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। হিজরি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাত শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে মুসলমানগণ পালন করে থাকেন। এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবেও পরিচিত।

তওবা করলেই কি হারাম সম্পদ হালাল হয়?

তওবা করলেই কি হারাম সম্পদ হালাল হয়?

মানুষ নানা কারণে জীবনে ভুল করে—কখনও টাকার লোভে, কখনও আবার পরিস্থিতির চাপে এমন উপার্জনে জড়িয়ে পড়ে যা আল্লাহর কাছে হারাম (Haram) ও অপবিত্র। যখন হৃদয় নরম হয় এবং মুমিন হিসেবে ইমান (Iman) জাগ্রত হয়, তখন মনে প্রথম প্রশ্ন আসে: ‘এই হারাম সম্পদ থেকে মুক্তির শরয়ী পদ্ধতি (Shariah Method) কী? শুধু মুখে তওবা (Tawbah) করলেই কি সব দায়মুক্তি হবে?’

মুনাফিক কারা, এদের স্বভাব সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে

মুনাফিক কারা, এদের স্বভাব সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে

ইসলামি জীবনবিধানে ‘মুনাফিক’ (Hypocrites) শব্দটি অত্যন্ত ঘৃণিত। মুনাফিকরা হলো সেই সব ব্যক্তি যারা মুখে ইসলামের কথা বলে কিন্তু অন্তরে কুফরি বা অবাধ্যতা লালন করে। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন সুরায় মুনাফিকদের চরিত্র (Characteristics of Hypocrites) এবং তাদের পরিণাম সম্পর্কে সুস্পষ্ট বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

যে গুণে আসবে আল্লাহর সাহায্য; যা মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি

যে গুণে আসবে আল্লাহর সাহায্য; যা মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি

মানুষের জীবনে সাফল্য বা আল্লাহর সাহায্য (Allah's Help) কখনোই উচ্চকণ্ঠ মানুষের কাছে ছুটে আসে না, বরং সে ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় সেই সব মানুষের দিকে—যারা কম কথা বলে, কিন্তু গভীর মনোযোগে নিজেদের কাজ করে যায়। যাদের ভেতরটা কল্যাণে পূর্ণ, চোখে লক্ষ্য স্থির, আর হৃদয়ে থাকে বিনয়—তাদের নীরবতা (Silence) হয়ে ওঠে শক্তি, আর নিষ্কলুষ আমল (Deed) হয়ে ওঠে সাফল্যের চাবিকাঠি (Key to Success)।

ভূমিকম্প বা দুর্যোগে যে দোয়া ও আমল করবেন

ভূমিকম্প বা দুর্যোগে যে দোয়া ও আমল করবেন

ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে একটি সতর্কবার্তা। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য হলো আতঙ্কিত না হওয়া। বরং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা, আশ্রয় চাওয়া এবং ধৈর্য ধারণ করা বুদ্ধিমানের কাজ। ভূমিকম্প, মেঘের গর্জন, ঝড় তুফান, শিলাবৃষ্টি—প্রকৃতির এসব পরিবর্তন মহান আল্লাহ তাআলার অসীম ক্ষমতা ও মহাশক্তির (Almighty Power) ক্ষুদ্র নিদর্শন মাত্র। এসব প্রাকৃতিক ঘটনা সৃষ্টির ওপর আল্লাহর পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণকে তুলে ধরে।