উদ্বোধন শেষে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আর্মি মেডিকেল কলেজ এবং নির্মাণাধীন আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কুমিল্লা তথা দেশের চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন ও চিকিৎসা খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’
এরআগে ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি কুমিল্লা সেনানিবাসের এরিয়া সদর দপ্তরে ৫ একর জমির ওপর আর্মি মেডিকেল কলেজের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। আজ সেনাবাহিনী প্রধানের উদ্বোধনের মাধ্যমে কুমিল্লা সেনানিবাস ৭ দশমিক ৭ একর জমির ওপর অর্থায়নে নির্মিত কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসের যাত্রা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে এ কলেজে ২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬টি ব্যাচ থেকে মোট ২৮৩ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসক হিসেবে উত্তীর্ণ হয়ে দেশ ও বিদেশে কর্মরত রয়েছেন।
এছাড়াও, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে কলেজটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিধি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও সম্প্রসারিত করবে বলে জানান কলেজ কর্তৃপক্ষ।
এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, ডাইরেক্টর জেনারেল অব মেডিকেল সার্ভিসেস, ইঞ্জিনিয়ার ইন চীফ, এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া, সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীগণসহ অনেকে।





