ফিরতি যাত্রায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও কোনো যানজট নেই। তবে সেতুর ওপর একাধিক ফিটনেসবিহীন যানবাহন বিকল হওয়ায় কয়েক দফা টোল আদায় বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় সেতু কর্তৃপক্ষ।
এদিকে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামাল দিতে সকালে ও বিকেলে কয়েক দফা যমুনা সেতু একমুখী করা হয়েছে। এছাড়া বাস বা গণপরিবহন না পেয়ে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে গন্তব্যে যাচ্ছে। বরাবরের মতো অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১২ টা হতে শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৩৮ হাজার যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে। এ থেকে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন:
এ দিকে সকালে ও বিকেলে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামাল দিতে দুই দফা সেতু একমুখী করা হয়েছিলো। এছাড়াও সেতুর উপর একাধিক ফিটনেস বিহীন যানবাহন বিকল হওয়ায় কয়েক ঘণ্টা টোল আদায় বন্ধ ছিলো। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সেতুর উভয় পাশে অন্তত ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের ধীর গতি ছিল।
বগুড়া থেকে আসা বাসচালক রূপচান শেখ বলেন, ‘সেতুর উভয় পাশে যানবাহনের ধীর গতি থাকায় দুই ঘণ্টার সড়ক আসতে প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে। এছাড়াও ঢাকার শহরের ফিটনেসবিহীন একাধিক বাস বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে।’
গার্মেন্টস কর্মী জুলেখা বেওয়া বলেন, ‘সিরাজগঞ্জের সায়দাবাদে আড়াই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে বাস পাইনি। পরে দেড়শ টাকার বাস ভাড়া ৪০০ টাকা দিয়ে ট্রাকে যাচ্ছি। ঝুঁকি থাকলেও বাস না পাওয়া বাধ্য হয়ে ট্রাকে যাচ্ছি।’
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। তবে ঢাকার ফিটনেসবিহীন যানবাহন কয়েক দফা বিকল হয়েছিলো। সেগুলো সরাতে কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মহাসড়কের ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণ করা জরুরি।





