এর আগে, সকালে শহরের টি.এ. রোডে স্তূপ করে কোরবানির পশুর চামড়া ফেলে রেখে চলে যান মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা। অধিকাংশ চামড়ায় পচন শুরু হয়েছে। এর ফলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে ভোগান্তিতে পড়েন পথচারীরা।
পরে সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদের নেতৃত্বে সড়ক থেকে চামড়া অপসারণ কাজ শুরু হয়। চামড়াগুলো এসকেভেটর দিয়ে ট্রাক্টরে করে নিয়ে যাওয়ার পর সড়কে ব্লিচিং পাউডার ছিটায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদ জানান, দিনভর চামড়ার মালিকের খোঁজ করা হয়েছে। কিন্তু কাউকে না পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় পথচারীদের ভোগান্তি দূর করতে সড়ক থেকে চামড়া অপসারণ করা হয়েছে। চামড়াগুলোকে মাটিচাপা দেয়া হবে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, এবার ঈদুল আজহায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ লাখ ৬৯ হাজার কুরবানির পশুর চাহিদা ছিলো। জেলার প্রায় ১৫ হাজার খামারি কুরবানির পশু লালনপালন করেন।
গতকাল ঈদুল আজহার দিন দুপুরের পর থেকেই শহরের টি.এ. রোডে চামড়া নিয়ে আসতে থাকেন মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা। তবে ক্রেতা না আসায় বিপাকে পড়েন চামড়া বিক্রেতারা।
সারারাত অপেক্ষা করেও ক্রেতা সংকটে চামড়া বিক্রি করা যায়নি। পরে সড়কের পাশে চামড়া ফেলে রেখে চলে যান ব্যবসায়ীরা।





