স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামাইদিয়া গ্রামের একটি চায়ের দোকানে কয়েকজন যুবক বাজিতে লুডু খেলছিলেন। খেলার একপর্যায়ে জয়-পরাজয় ও বাজির টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজন জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়িঘরেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সংঘর্ষে এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন ইমারত মোল্যা এবং অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন শাহজাহান মৃধা। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে কয়েকজনের অবস্থার অবনতি হলে তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি নজরদারি রয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, ‘লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’





