সবুজে ঘেরা বাগানে গাছভর্তি পাকা ও আধাপাকা আমের সমারোহ। এক সময় ধান ও পাট চাষে পরিচিত ফরিদপুর এখন ধীরে ধীরে পরিচিতি পাচ্ছে আম উৎপাদনের জেলা হিসেবেও। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে উঠেছে বাণিজ্যিক আম বাগান। কৃষকদের আগ্রহ, আধুনিক পরিচর্যা এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রতিবছরই বাড়ছে আম চাষের পরিধি।
চাষিরা বলছেন, অনেক ফসলের তুলনায় আম চাষে খরচ কম। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লাভও পাওয়া যায় ভালো। ফলে নতুন নতুন উদ্যোক্তারাও ঝুঁকছেন ফল চাষে। আম চাষিরা জানান, ‘ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে আম কিনতে আসতেছে। আর অনেক কর্মসংস্থান বাড়ছে।
চলতি মৌসুমে জেলার প্রায় ২০০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২,০০০ মেট্রিক টন। উৎপাদিত আম স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হবে।
উন্নত জাতের চারা সরবরাহ, প্রযুক্তিগত পরামর্শ এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে চাষিদের সহায়তা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহেদুজ্জামান বলেন, ‘কৃষকদেরকে বিশেষ করে যে বাগান ব্যবস্থাপনা এবং যে ফলের যে প্রক্রিয়াজাতকরণ এ সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করছি এবং আমরা আশা করছি যে আগামী দিনে এ এলাকায় যে ফল বাগান, বিশেষ করে আমসহ অন্যান্য যে ফল বাগান, সেই ফল বাগান সম্প্রসারিত হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ আছে।’
উর্বর মাটি, অনুকূল আবহাওয়া আর কৃষকদের আগ্রহ-সবকিছু মিলিয়ে ফরিদপুরে তৈরি হয়েছে আম চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা।





