দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কোল্ড স্টোরেজের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হচ্ছে। পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় এয়ার ফ্লো মেশিন নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না
কৃষকরা জানান, বিদ্যুতের ঘাটতি এখন বড় মাথাব্যথার কারণ। যার ফলে আলু, পেঁয়াজ ও বীজ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
কৃষকরা জানান, বিদ্যুতের সমস্যার কারণে আলু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেক আলু দাগ লেগে গেছে, পচন ধরে গেছে।
কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে, বর্তমানে ছোট-বড় ৪০০ টি হিমাগারে ২৬-৩৫ লাখ টনের বেশি আলু সংরক্ষিত রয়েছে। এসব হিমাগারে রাখা হয়েছে রসুন, আদা, সবজিসহ নানা কৃষিপণ্য।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে জিডিপির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, যারা উৎপাদনকারী, তারা তো এখন একটা সংকটে আছেন। ব্যবসায়ীদের কিংবা উদ্যোক্তাদের যদি উৎপাদন ব্যাহত হয়, তাহলে তো আমাদের অর্থনীতির জন্য এটা একটা বিরাট ধাক্কা। মোট দেশজ উৎপাদন জিডিপি, সেটার উপরও একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, হিমাগারগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে পণ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা রয়েছে, যা মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেবে বলে শঙ্কা তার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম আকাশ বলেন, পচে যাওয়ার সময় দাম কমে যাবে, আর পরবর্তী সাইকেলে উৎপাদন না হওয়ার কারণে দাম বেড়ে যাবে। এবং সেইটা আবার ফিরে আগের সিজনের সংকটের মতোই চক্রাকারে ঘুরতে থাকবে। সেটা থেকে বার হওয়ার জন্য সাজেশন যেটা আমরা দিতে পারি—প্রথমত, বিদ্যুৎটা প্রায়োরিটি বেসিসে কোল্ড স্টোরেজগুলোতে দিতে হবে।
কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, নির্ভরযোগ্য করে, সৌর বিদ্যুৎসহ বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।





