জানা যায়, নির্যাতিত শিশুর পরিবার ও অভিযুক্ত আনোয়ারের পরিবার ফতুল্লা থানার পশ্চিম তল্লার জসিম মিয়ার বাসায় পাশাপাশি রুমে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলো। নির্যাতিত শিশুটির বাব-মা গার্মেন্টসে কাজ করে। প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালেও শিশুটির বাবা ও মা নিজ নিজ কর্মস্থলে চলে যায়।
পরবর্তীতে বেলা ১১ টার দিকে আনোয়ার মোবাইলে চার্জ দেওয়ার কথা বলে শিশুটির রুমে প্রবেশ করে। এসময় শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
শিশুটির মা জানায়, অভিযুক্ত আনোয়ার ও তারা একই বাসায় পাশাপাশি রুমে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে। তারা সকালে শিশুটিকে বাসায় রেখে নিজ নিজ কর্মস্থলে চলে যায়।
ঈদের কারণে পাশ্ববর্তী রুমের ভাড়াটিয়াদের অধিকাংশরাই গ্রামের বাড়িতে চলে যায়। ফলে বাড়িটি প্রায় ফাঁকা ছিলো। সে সুযোগে তার মেয়েকে আনোয়ার ধর্ষণ করে। তিনি জানান রাত আটটার দিকে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে এলে মেয়ে তাকে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, নির্যাতিত শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।





