তবে বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়ার জটিলতা ও বিভিন্ন অসঙ্গতির কারণে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী এই দফায় নতুন স্কেলের বাড়তি বেতন পাচ্ছেন না (Pay fixation complications government employees)। তাদের জন্য আপাতত পুরোনো কাঠামোতেই বেতন পরিশোধ করা হবে এবং বকেয়া অর্থের জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে(New pay scale Bangladesh November 1 salary update)।
আরও পড়ুন: পে স্কেল; পদোন্নতির পরও কমতে পারে আয়, বেতন নির্ধারণে উল্টে যাচ্ছে গ্রেড
নবম জাতীয় পে-স্কেলের ভাতা নির্ধারণ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি
বেতন নির্ধারণে জটিলতা ও বকেয়া না পাওয়ার কারণ (Reasons behind delayed pay fixation and complications)
অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী এবং ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী নিজেদের বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছেন (MPO teachers and government employees new pay scale)। তবে কিছু প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে সবার জন্য নতুন স্কেল কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না:
- জ্যেষ্ঠতা ও গ্রেড বৈষম্য: নতুন স্কেল নির্ধারণ করতে গিয়ে বেশ কিছু দপ্তরে জুনিয়র কর্মকর্তা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের চেয়ে বেশি বেতন পাওয়ার জটিলতা তৈরি হয়েছে (Seniority and grade anomaly in pay scale)।
- পদোন্নতি ও বাড়িভাড়া সমস্যা: অনেক ক্ষেত্রে পদোন্নতির পরেও মোট আয় কমে যাওয়ার অদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চতর গ্রেড এবং বাড়িভাড়া ভাতা (House rent allowance calculation) নির্ধারণেও জটিলতা দেখা দিয়েছে।
- আইবাস++ (iBAS++) জটিলতা: ডিজিটাল বেতন নির্ধারণ পদ্ধতি বা আইবাস প্লাস প্লাস সফটওয়্যারের নানা মারপ্যাঁচ এবং সংশ্লিষ্টদের কারিগরি জানাশোনার ঘাটতির কারণে আবেদন নিষ্পত্তি ঝুলে রয়েছে (iBAS plus plus software pay fixation issue)।
আরও পড়ুন:
বেতন পুনর্নির্ধারণ: নতুন পে স্কেলের কাজ শুরু আজ, জেনে নিন পে ফিক্সেশনে যা যা লাগবে
মন্ত্রণালয়ের আবেদন ও বকেয়া প্রাপ্তির অনিশ্চয়তা (Ministry applications and pending arrears update)
গত ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল এবং ৫ অক্টোবর থেকে অনলাইনে বেতন নির্ধারণের কাজ শুরু হয়। তবে বহু মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে অসঙ্গতি দূর করার জন্য অর্থ বিভাগে আবেদন করা হলেও গত সোমবার পর্যন্ত সেগুলোর সুরাহা হয়নি (Finance division salary anomaly resolution)। ফলে ১ নভেম্বরের নির্ধারিত সময়ে সবার হাতে নতুন স্কেলের বকেয়া টাকা পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, উদ্ভূত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে কাজ চলছে, যাতে খুব দ্রুত বাকি কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের জটিলতাও দূর করা সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:



