গত (শনিবার, ৭ নভেম্বর) রাতে বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা কমিটির প্রধান ও তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান সংবাদমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন (BUET admission committee head Professor Kamrul Hasan statement)। তিনি জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে তারা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন:
ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা ও আসনসংকট নিয়ে বুয়েটের স্পষ্ট অবস্থান (BUET admission eligibility and criteria)
সম্প্রতি এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে বিপর্যয় দেখা দেওয়ায় সারা দেশে জিপিএ-৫ পাওয়ার হার বেশ কমেছে (HSC result GPA 5 drop Bangladesh)। এবার সব মিলিয়ে মাত্র ৪০ হাজার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে বিজ্ঞান ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে মাত্র ২৬ হাজার ৭০২ জন।
শিক্ষার্থীদের একাংশের ফল পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ ও বিশেষ পরীক্ষার সিদ্ধান্তের কথা মাথায় রেখেও বুয়েট তাদের পূর্বনির্ধারিত ভর্তি নীতিমালায় অনড় রয়েছে (BUET admission requirement policy):
- ন্যূনতম জিপিএ ও গ্রেড: বুয়েটে আবেদনের জন্য এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ থাকতে হবে (BUET GPA requirement SSC and HSC)। পাশাপাশি পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিত এই তিন বিষয়ে আলাদাভাবে ‘এ প্লাস’ (A+) গ্রেড থাকা বাধ্যতামূলক (BUET math physics chemistry A plus requirement)।
- আবেদনকারীর সংখ্যা ও বাছাই: ভর্তি কমিটির প্রধান অধ্যাপক কামরুল হাসান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের পরীক্ষা নেওয়ার আসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। বুয়েট কেবল শীর্ষ ১০ হাজার শিক্ষার্থীর প্রাক-নির্বাচনী বা মূল পরীক্ষা নিতে পারে (BUET admission seat capacity and applicant limit)। যেখানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এর দ্বিগুণেরও বেশি, সেখানে আবেদন যোগ্যতা শিথিল করার কোনো অবকাশ নেই।
আরও পড়ুন:
ঢাবি ও বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা যথাসময়ে (DU and BUET admission test schedule update)
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সম্প্রতি এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বিশেষ পরীক্ষা (HSC supplementary exam for failed students) নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে ওই প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থীর একটি অংশ নতুন করে পাস করলেও বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (DU) চলতি শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে না (BUET admission eligibility for supplementary students)। ঢাকা ও বুয়েট কর্তৃপক্ষ তাদের পূর্বনির্ধারিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।
অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে আবেদনের শেষ সময় এবং অন্যান্য শর্তাবলী জানিয়ে দেওয়া হবে (BUET online application last date and notice)।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:


