সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রবন্ধে ডারিও আমোদেই লেখেন, ‘প্রযুক্তি খাত দীর্ঘদিন ধরে মানুষের কাছে মিথ্যা বলেছে যে এই প্রযুক্তির কোনো ঝুঁকি নেই।’
এর আগে অ্যানথ্রোপিকের সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সন সতর্ক করে বলেছিলেন, অ্যানথ্রোপিক ও ওপেনএআই মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একসময় মানবজাতির জন্য প্রাণঘাতী হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রযুক্তি খাতের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আমোদেই। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিটি নতুন সংস্করণ উন্মুক্ত করার আগে সেটির যথাযথ ও কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপত্তা নীতিমালা ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য স্বাধীন গবেষকদের স্থায়ীভাবে অ্যানথ্রোপিকের মডেলে অভ্যন্তরীণ কর্মীদের মতো প্রবেশাধিকার দেয়া হবে।
এআই নিয়ন্ত্রণে সরকারি নীতিমালার পক্ষে মত দিয়ে আমোদেই জরুরি পরিস্থিতিতে এআই বন্ধ করার ব্যবস্থা বা কিল সুইচ রাখার ধারণাকে সমর্থন করেন। তবে এই প্রযুক্তির ওপর ঢালাও নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেন তিনি। এছাড়া বৈশ্বিক পর্যায়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে হওয়া ঐতিহাসিক পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তির আদলে আন্তর্জাতিক সমঝোতার পরামর্শ দেন তিনি।
আমোদেই লেখেন, ‘আমরা যদি সঠিকভাবে এটি তৈরি করি, তবে খারাপ কিছু ঘটার ঝুঁকি খুবই কম। কিন্তু আমরা যদি ভুল পথে অগ্রসর হই, তবে মারাত্মক কিছু ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।’





