প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা অ্যান্টি মাইন অভিযানে ‘মনুষ্যবাহী ও মনুষ্যবিহীন’ উভয় ধরনের প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাচ্ছেন। সামরিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তির সাহায্যে দ্রুততম সময়ে মাইন শনাক্ত করা সম্ভব। প্রথমে মাইন খুঁজে বের করা হবে এবং পরে অন্য এক ধরনের ‘সামুদ্রিক রোবট’ পাঠিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হবে।
সাবেক মার্কিন নৌবাহিনীর ভাইস অ্যাডমিরাল কেভিন ডনেগান ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ‘মানব বিহীন আন্ডারওয়াটার ভেহিকল ব্যবহার করে কয়েক সপ্তাহের বদলে মাত্র কয়েক দিনেই এই এলাকার একটি ছোট চ্যানেলে জরিপ কাজ শেষ করা সম্ভব।’
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালি দফায় দফায় বন্ধ ও উন্মুক্ত করার ঘোষণা আসছে। ইরান দাবি করেছে, এই প্রণালিতে মাইন থাকতে পারে এবং তারা এটি পুনরায় ‘কঠোর নিয়ন্ত্রণে’ নিয়েছে। এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে এখন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য নিরাপদ পথ নিশ্চিত করতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন এই উদ্যোগ সফল হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় গতি ফিরবে। তবে একই সঙ্গে এই মাইন অপসারণ অভিযানকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঝুঁকিও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।





