আইআইটি কানপুর ও লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের সাবেক শিক্ষার্থী এবং সিজেপি মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘পরীক্ষার্থীদের নাম, ফোন নম্বর ও ছবি ফাঁস হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগের। যে দেশ বিশ্বসেরা প্রযুক্তিবিদ তৈরি করে, সেই দেশের শিক্ষামন্ত্রী একটি সাধারণ পোর্টাল সুরক্ষিত রাখতে পারেন না—এটি হাস্যকর। তিনি পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন।’
এবারের পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আইআইটি রুরকির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে, তথ্যগুলো স্রেফ ‘রিড অনলি’ বা পড়ার উপযোগী ছিল এবং তা পরিবর্তন করা সম্ভব ছিল না। এই যুক্তির কড়া সমালোচনা করে রাঙ্কা বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া এই তথ্যে প্রবেশাধিকার পাওয়াটাই বড় সাইবার নিরাপত্তা ব্যর্থতা। ১৬-১৮ বছর বয়সী কিশোরেরা সিস্টেমের এই দুর্বলতা ধরিয়ে দিচ্ছে, যা প্রমাণ করে দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তিরা কতটা অযোগ্য।’
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার আইআইটি রুরকি ক্লাউড স্টোরেজে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা স্বীকার করেছিল। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আগামী ৬ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’। দলটি স্পষ্ট করেছে যে তাদের এই আন্দোলন হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক।
কাকরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, যিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন, ৬ জুন দিল্লিতে এই বিক্ষোভে যোগ দিবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রতিবাদে প্রখ্যাত পরিবেশবাদী আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুকও অংশ নিবেন বলে জানিয়েছে দলটি। গত মাসে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’র উত্থান ঘটে, যা এখন একটি শক্তিশালী যুব আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।





