মূলত ব্যালেট ঘাটতির কারণে ভোট দিতে না পারায় শুক্রবার থেকে শুরু হয় এ বিক্ষোভ। তাতে অংশ নেন ৬ হাজারের বেশি মানুষ। এসময় বিক্ষোভকারীরা পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানান। অবশ্য এর আগে ব্যালেট ঘাটতির দায়ভার নিয়ে পদত্যাগ করেছেন দেশটির নির্বাচন কমিশনের প্রধান।
উল্লেখ্য, গত ৩ জুন অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনের সময় সিউল ও ইনচনসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ব্যালট পেপার ফুরিয়ে যায়। শুধু তাই নয় প্রায় ১৪ হাজার ৩০০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে কমপক্ষে ৫০টি কেন্দ্রে ব্যালট সংকট দেখা দেয়। এমতাবস্থায় ২২টি কেন্দ্রে সাময়িকভাবে ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখা হয়। ফলে ভোট না দিয়েই কেন্দ্র থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হন অনেক ভোটার।





