চীনের নতুন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা; নাসার বিজ্ঞানীদের রোবটিক আর্ম প্রতিস্থাপন

ক্যানাডাম টু রোবটিক আর্ম
বিদেশে এখন
0

গ্রহাণুর আঘাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষায় সমন্বিত ভূমি ও মহাকাশ ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে চীন। বিজ্ঞানীদের প্রত্যাশা, এর ফলে আকাশের দুরবর্তী বস্তুকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। আর স্পেস স্টেশনে হাঁটার সময় বিকল হয়ে যাওয়া ক্যানাডাম টু রোবটিক আর্ম সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেছেন নাসার দুই বিজ্ঞানী।

বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়া যেন নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে এশিয়ার দেশ চীনের। এবার মহকাশ গবেষণায় আরেকটি মাইলফলক অর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং।

মঙ্গলবার চীনের ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ঘোষণা দিয়েছে, সম্ভাব্য গ্রহাণুর আঘাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা ও আগাম সতর্কতা প্রদানের অংশ হিসেবে একটি সমন্বিত ভূমি ও মহাকাশ- ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা স্থাপন করবে বেইজিং।

চীনের ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান বিজ্ঞনী লি মিংতাও বলেন, দায়িত্বশীল প্রধান মহাকাশ শক্তি হিসেবে গ্রহ প্রতিরক্ষায় মহাকাশ- ভূমি সমন্বিত পর্যবেক্ষণ ও আগাম সতর্কীকরণ নেটওয়ার্কের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে চীন। এর অংশ হিসেবে একাধিক বৃহৎ- অ্যাপারচার অপটিক্যাল টেলিস্কোপ নির্মাণের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা হবে। যা রাতের আকাশের দুরবর্তী বস্তুকেও অত্যন্ত নির্ভুলভাবে শনাক্ত করবে।

চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসেই ৪০ হাজারেরও বেশি পৃথিবীর নিকটবর্তী গ্রহাণু আবিষ্কৃত ও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যদিও এগুলো নিশ্চিতভাবে পৃথিবীতে আঘাত করতে পারে এমন শঙ্কা প্রমাণিত হয়নি।

এদিকে, মঙ্গলবার ক্রিস উইলিয়ামস ও জেসিকা মেয়ার নামে দুই মহাকাশচারী স্পেস স্টেশনে হাঁটার সময় বিকল হয়ে যাওয়া ক্যানাডাম টু রোবটিক আর্মের একটি বিকল কব্জির জয়েন্ট সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেছেন। সাধারণত মহাকাশ স্টেশনে কার্গো পরিবহন ও মহাশূন্যে হাঁটার সময় নভোচারীদের সহায়তা করে রোবোটিক আর্ম। এটি ১৭ মিটার বা প্রায় ৫৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।

নাসা জানায়, গেল মে মাসে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলার সময় ক্যানাডাম টু বিকল হয়ে যায়। কারণ রোবোটিক আর্মটি মোটরের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ গ্রহণ করায় প্রত্যাশিতভাবে নড়াচড়া করতে পারছিল না। সমস্যাটি নির্ণয়ের জন্য এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির সঙ্গে কাজ করে নাসা।

ইএ