অব্যাহত রয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলা। এরইমধ্যে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবারে রাত পর্যন্ত মস্কোকে লক্ষ্য করে সাড়ে ৩'শরও বেশি ড্রোন ছুড়েছে ইউক্রেন। তবে তা সফলভাবে ধ্বংসের দাবি জানিয়েছে রাশিয়া। অন্যদিকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রুশ ড্রোন হামলায় শিশুসহ আহত হয়েছেন আরও অনেকেই।
এমন যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়ায় শুরু হয়েছে পার্লামেন্ট নির্বাচন। ১৮ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই ভোট। নির্বাচনে ৪৫০ সদস্যের স্টেট ডুমা বা নিম্নকক্ষের সংসদ নির্বাচিত হবে। আর এটি ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম পার্লামেন্টারি নির্বাচন।
তিন দিনব্যাপী ভোটগ্রহণের প্রথম দিন আজ। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয় ভোটগ্রহণ। যদিও এবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজে প্রার্থী নন। তবে তার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টিই রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে নির্বাচনের আগে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি বিরোধী প্রার্থীদের অংশগ্রহণে বাধা দেয়া। কেননা রাশিয়ায় একমাত্র যুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে পরিচিত ইয়াবলোকো। দলটি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে দলটির বেশিরভাগ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ হারিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, নির্বাচনি নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে দলটির অনেক প্রার্থীকে।





