এআই নিয়ে বিল গেটসের শঙ্কা ও সিলিকন ভ্যালিতে বিক্ষোভ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতীকী চিত্র
বিদেশে এখন
0

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রা। এবার এআই নিয়ে ৩ আশঙ্কার কথা জানালেন, মাইক্রোসফট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। ভয়াবহ বেকারত্ব, অনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তি ক্ষমতা ছাড়াও যন্ত্রনির্ভর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে দিয়েছেন সতর্কতা বার্তা। এদিকে, কপিরাইট ইস্যুতে নিউইয়র্ক টাইমসের মামলার জবাবে ওপেন এআই-মাইক্রোসফটের ব্যাখ্যা, খবর বিক্রির জন্য সংগ্রহ বা ব্যবহার করে না এইআই। অন্যদিকে, নতুন ডাটা সেন্টার স্থাপনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কেন্দ্রখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে।

যে দ্রুত গতিতে এআই টুলের আধুনিকায়ন ও আপগ্রেডেশন হচ্ছে, তা মানব সভ্যতাকে দিনকে দিন নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। এ নিয়ে শীর্ষ এইআই প্রতিষ্ঠানের উদ্বেগের জেরে এবার মুখ খুলেছেন মাইক্রোসফট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। গেটস নোট নামে নিজের ওয়েবসাইটে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা লিখেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্তাল এই যুগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রা।

মূলত ৩টি শঙ্কার ওপর জোর দিয়েছেন বিল গেটস। শুরুতেই বলেছেন, বহু পেশার বিলুপ্তি আর বেকারত্ব নিয়ে, এআই ইস্যুতে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এটিই। কিন্তু এইআই কারণে মানুষ অতিরিক্ত প্রযুক্তি ক্ষমতা পেলে সেটিও কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা ব্যাখ্যা করেছেন গেটস। যা, হুমকিতে ফেলতে পারে গোটা সভ্যতাকেই। এছাড়াও সমাজ থেকে বিছিন্ন হয়ে পুরোপুরি প্রযুক্তি নির্ভর হতে যাচ্ছে আগামী প্রজন্ম- এমন আশঙ্কাও ছিল বিল গেটসের লেখায়।

এদিকে, অনুমতি ছাড়া বা ফ্রিতে নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতো পত্রিকাগুলোর লেখা ব্যবহার করায় মামলার কবলে পড়েছিল ওপেনএআই এবং মাইক্রোসফট। এ সংক্রান্ত মামলায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান দু'টির ব্যাখ্যা, তাদের এআই প্রযুক্তি কখনোই সাংবাদিকতা বা আসল খবরের বিকল্প না, এআই কখনোই খবর বিক্রির বাজারে প্রভাব ফেলে না। কিছু কনটেন্টের জন্য রেফারেন্স হিসেবে পত্রিকার লেখা ব্যবহার করা হয়।

তবে এইআই-এর প্রচার প্রসার ও নেতিবাচক প্রভাবের জেরে নড়েচড়ে বসেছে বহু অঞ্চলের মানুষ। পরিবেশের ক্ষতি করে নতুন ডাটা সেন্টার স্থাপনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কেন্দ্রখ্যাত শহর যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে। যৌন হয়রানির ঘটনায় এইআই নির্ভর স্মার্ট গ্লাসের অপব্যবহার নিয়ে ফ্রান্সে শুরু হয়েছে তদন্ত।

ইএ