দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮৩ সাউথ অ্যাভিনিউয়ে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে যন্তর মন্তরে সিজেপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে বের হলে পুলিশ তাকে আটকে দেয়। পুলিশের বাধার মুখে তিনি সাউথ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নিয়ে ধর্নায় বসে পড়েন। তার সঙ্গে ধর্নায় যোগ দেন তৃণমূলের সংসদ সদস্য ডেরেক ওব্রায়েন, সাকেত গোখলে, দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল ও সামিরুল ইসলাম।
ধর্নায় বসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাকে যন্তর মন্তরে যেতে না দিলে তিনি বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাসস্ট্যান্ডেই বসে থাকবেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বেরিয়েছিলাম। আমাদের জেনজি আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। সিজেপি বয়েজদেরও আটক করা হয়েছে। অনেক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাউকে যন্তর মন্তরের ভেতরে যেতে দেয়া হয়নি। আমরা ছাত্রসমাজ ও যুবসমাজের পাশে আছি।’ এ সময় পুলিশের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘বাসে করে তুলে নিয়ে ঘোরাচ্ছে, যেমনটা বিজয়নজির সঙ্গে করেছে, ২ ঘণ্টা ধরে ঘোরাচ্ছে রাস্তায়। ওর শরীরটাও খারাপ শুনলাম।’
ধর্নার একপর্যায়ে পুলিশ এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। ভ্যানটি চলতে শুরু করলে চালকের বেপরোয়া গতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এমনভাবে চালাচ্ছে, অ্যাকসিডেন্ট করে দেবে।’
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা এ বিক্ষোভ ঘিরে শনিবার সকাল থেকেই নয়াদিল্লিজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় চালায় পুলিশ। এর আগে বিমানবন্দর থেকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ দলের শীর্ষ নেতাদের এবং চার শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।
—হিন্দুস্তান টাইমস, নিউজ ১৮ বাংলা ও দ্য ওয়াল প্রতিবেদনের অবলম্বনে





