কারোল বাগের রানী ঝাঁসি রোডে জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (শরদচন্দ্র পাওয়ার) মুখপাত্র আনিস গাওয়ান্দের বাসা থেকে দিপকে কে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। একই সঙ্গে কনাট প্লাজা ও সেন্ট্রাল পার্কে জড়ো হওয়া বিপুল সংখ্যক মানুষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
সিজেপির অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজে দেয়া সরাসরি ভিডিওতে নোটিশ দিতে আসা পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দিপকে কে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা তো বলিনি যে প্রতিবাদ করব... আমরা কেবল তেরঙ্গা (জাতীয় পতাকা) ওড়াব। সেটাও কি নিষিদ্ধ? জাতীয় পতাকা কি বেআইনি?’
এক সংবাদ সম্মেলনে দিপকে অভিযোগ করেন, গাওয়ান্দের বাসার আশপাশে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কী তামাশা চলছে? আমরা ১০ অক্টোবর প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিলাম, আর আপনারা নয়াদিল্লিকে স্তব্ধ করে দিয়েছেন এবং জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বাহিনী নিয়ে এসেছেন। আমরা যেখানেই যাচ্ছি, আমাদের ঘিরে পুলিশ মোতায়েন করে রাখা হচ্ছে। আপনারা কিসের ভয় পাচ্ছেন? এই দেশে জাতীয় পতাকা ওড়ানো কি অপরাধ? এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিন।’
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীতে (এসআইআর) অনিয়মের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার গ্যানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছে সিজেপি। পাশাপাশি চলতি সপ্তাহে তাদের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই মিছিলের ডাক দেয়া হয়েছিল।
জন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে বাতিল করা হয়েছে, যার ফলে সেন্ট্রাল পার্কে এই প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়। এতে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) নেত্রী নেহা বোরা এবং আম আদমি পার্টির (আপ) প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকার কথা ছিল।





