সামরিক অবস্থান জোরদারে ভূমধ্যসাগরে মার্কিন রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড

যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর সুপারক্যারিয়ার ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এখন ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন
এশিয়া
বিদেশে এখন
0

গত কয়েকদিন ধরে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলায় সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি মোতায়েনেরও নির্দেশ দেন। এবার তারই অংশ হিসেবে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে যুক্ত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড। যা ওই এলাকায় ওয়াশিংটনের সামরিক অবস্থানকে আরও জোরালো করলো।

নতুন এ রণতরীটি আগে মোতায়েন করা ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ সহ আরও কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ, ডেস্ট্রয়ার ও যুদ্ধবিমানের সঙ্গে যোগ দেবে। ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরী। এটি পারমাণবিক বিদ্যুৎচালিত; যেখানে ৭৫টিরও বেশি যুদ্ধবিমান থাকতে পারে। যার মধ্যে এফ-১৮ সুপার হর্নেট এবং রাডার সংবলিত ই-২ হকআই বিমান অন্যতম।

আরও পড়ুন:

তবে রণতরীটিতে রয়েছে যান্ত্রিক সমস্যাও। টানা ৮ মাস সমুদ্রে থাকায় নিয়মিত মেরামত ও আধুনিকায়নের কাজ থমকে আছে। এছাড়া ভ্যাকুয়াম পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও বিকল হয়ে পড়ছে বারবার। এতে ব্যাহত হচ্ছে নাবিকদের জীবনযাত্রা।

তবে রণতরীর অভ্যন্তরীণ এ সমস্যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামরিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা।

গত সপ্তাহে, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ১০-১৫ দিনের মধ্যে চুক্তিতে না এলে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে কোনো চাপের সামনে মাথা নত করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

এএম