পুলিশ জানিয়েছে, আটক হওয়া ৩০ জনের মধ্যে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সমাধানকারী চক্রের সদস্য ২১জন। বাকি ৯ জনই ছদ্মবেশী বা ডামি পরীক্ষার্থী।
এর আগে প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে ৩ মে হওয়া পরীক্ষা বাতিল করে ২১ মে পুনরায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। ফের বিতর্ক এড়াতে নেয়া হয় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা। প্রযুক্তিগত জালিয়াতি রুখতে ৯৫ হাজারেরও বেশি পরীক্ষা কক্ষে ছিলো ১ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা।
প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা রক্ষায় বিমান বাহিনীর মাধ্যমে আকাশপথে পৌঁছে দেয়া হয় প্রশ্ন। ভুয়া পরীক্ষার্থীদের শনাক্তে দ্বিগুণ ছিলো বায়োমেট্রিক ও ফেস অথেনটিকেশনের ব্যবস্থা।





