এ বাজারে মশলা-জিরা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়। দামী মশলার মধ্যে ছোট এলাচের দাম আকাশচুম্বী, যা প্রতি কেজি ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকায় ঠেকেছে।
এছাড়া কালো এলাচ ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকা এবং জয়েত্রী ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া এসব মশলার পাশাপাশি দারুচিনি ৪৮০ থেকে ৬০০ টাকা, ধনিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং শুকনো মরিচ ৩৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
মশলার বাজারের এ উত্তাপ ছড়িয়েছে মাংসের বাজারেও। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়। তবে খাসির মাংসের দাম সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে, যা কেজি প্রতি ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এর পাশাপাশি কাঁচা সবজির দামও গত কয়েকদিনের তুলনায় খানিকটা বেড়েছে।
ক্রেতারা মনে করেন, ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, মশলা ও মাংসের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যদি এখনই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তবে সাধারণ মানুষের জন্য ঈদের আনন্দ উপভোগ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
তবে বিক্রেতাদের দাবি ভিন্ন। তারা জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। পাইকারি বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং দামও খুব একটা বাড়েনি। ঈদের আগে নতুন করে দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও মনে করছেন তারা।





